1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

উখিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুন্নেছা বেবী’র খোলা চিঠি

  • Update Time : বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৯৪ Time View

সম্মানীত, 
উখিয়া উপজেলার আপামর জনসাধারন,
আচ্ছালামু আলাইকুম/আদাব/নমস্কার।
আশা করি যে যারযার অবস্থান থেকে নিজেদের মতই ভাল আছেন।

সম্মানীত সুধী,
আপনারা হয়তো ইতিমধ্যে অবগত হয়েছেন যে, মহান আল্লাহপাকের ইচ্ছা এবং আপনাদের দোয়ায় আমি কামরুন্নেছা বেবী আসন্ন উখিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার মনস্থির করেছি। নির্বাচন করাটা আমার কখনোই ইচ্ছা ছিলনা, বরং; ইচ্ছে ছিল অতীত এবং বর্তমানের মত জনপ্রতিনিধি না হয়েও আপনাদের সেবা করা, আপনাদের পাশে থাকা। কিন্তু সবকিছু নির্ভর করে মহান আল্লাহর ইচ্ছার উপর। সবচেয়ে বড় কথা হল, নির্বাচন করার ইচ্ছাটা তৈরী হয়েছে কেবল আপনাদের দাবী ও ভালবাসার কারনে। সম্প্রতি উখিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের এককপ্রার্থী বাছাইপর্বে আমাকে সর্বোচ্চ ৮১ ভোট দিয়ে যে বিজয় এবং সম্মান উপহার দিয়েছেন তার জন্য আমি এবং আমার পরিবার উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ এবং তৃণমূলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। আপনাদের ভালবাসা এবং সমর্থন না পেলে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করা সম্ভব হতনা। তাই আমি বিশ্বাস করি, আগামীতেও আপনাদের দোয়া, ভালবাসা এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত না থাকলে কখনোই এই নির্বাচনে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়। তাই অতীতের মত আগামীতেও আপনাদের ভালবাসা এবং সহযোগিতা আশা করছি।

সম্মানীত সুধী,
আপনারা জানেন, উখিয়া উপজেলা একটি বৃহৎ এলাকা। একজন মহিলা হিসেবে তাই অকারনে উখিয়ার সব জায়গায় আমার যাওয়া হয়ে উঠেনি। এই কারনে আপনাদের অনেকের সাথে আমার সরাসরি দেখা হয়নি, পরিচয় হয়নি। আমি জানি, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার খবর প্রকাশের পর আমার পরিচয় জানতে আপনাদের অনেকের মনে একটা কৌতুহল তৈরী হয়েছে। এটা খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। তাই আপনাদের সদয় অবগতির জন্য আমার পারিবারিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ট সম্পর্কে সংক্ষেপে আপনাদের অবগত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।

সম্মানীত সুধী,
আমার জন্ম কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলাধীন খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ধেছুয়াপালং গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। আমার শ্রদ্ধেয় পিতা জনাব মরহুম আব্দুর রহিম কন্ট্রাক্টর ছিলেন বাঙ্গালী জাতির সূর্যসন্তান খ্যাত সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি দীর্ঘদিন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কক্সবাজার জেলা ইউনিট কমান্ডের সদস্য সচিব ও সাংগঠনিক কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বপালন করছিলেন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং পাশাপাশি সমাজসেবক হিসেবে আমার পিতার রয়েছে অসংখ্য অবদান। যার কারনে তাঁর মৃত্যুর পরও এলাকার মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। আমি সেই পিতার সন্তান, যিনি একটি স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন। আমার বড় ভাই কক্সবাজারের স্বনামধন্য সাংবাদিক জনাব সাইফুর রহিম শাহিন বেসরকারী ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া আরটিভি’র কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি এবং কক্সবাজারের বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র ‘দৈনিক আমাদের কক্সবাজার’ পত্রিকার সম্পাদক। পাশাপাশি তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কক্সবাজার জেলা কমিটির মেম্বার হিসেবেও দায়িত্বপালন করে আসছেন। মেঝভাই বিশিষ্ট্য মানবাধিকার কর্মী জনাব আরিফুর রহিম মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম’৭১, রামু উপজেলার সাধারন সম্পাদক এবং মানবাধিকার সংগঠন ‘ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন’, কক্সবাজার জেলা কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন। আমার মরহুম পিতার মত আমার দুই বড়ভাইও দীর্ঘদিন ধরে যারযার অবস্থান থেকে জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

সম্মানীত সুধী, 
আমার জন্ম রামু উপজেলায় হলেও বৈববাহিকসূত্রে আমি উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন সক্রিয় দায়িত্বশীল কর্মী। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি মানবাধিকার সংগঠন ”ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন” এর উখিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

সম্মানীত সুধী, 
বর্তমানে আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় অর্থাৎ যার রাজনৈতিক পরিচয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জন্য উখিয়া উপজেলায় যার ত্যাগ ও অবদানের কারনে আমাকে মূল্যায়ণ করা হয়েছে বা হচ্ছে বলে প্রতিয়মান, তিনি আমার স্বামী উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আপনাদেরই প্রিয়নেতা জনাব আমিনুল হক আমিন। আপনারা নিশ্চয় জানেন, তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর রাজনীতির মাঠে রয়েছেন। সংগ্রামী এই রাজনীতিবিদ সুখে দুঃখে নিজের সাধ্যমত আপনাদের পাশে থেকে আপনাদের সেবা করে যাচ্ছেন। তিনি হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের নির্বাচিত মেম্বার এবং ২০০৮ সাল থেকে ২০১১ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অত্র ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর শাসনামলে হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সর্বত্র উন্নয়নের যে ছোঁয়া লেগেছিল তা এখনো লোকমুখে প্রশংসিত হয়ে আসছে। তিনি তাঁর সময়ে ইউনিয়ন পরিষদকে রেখেছিলেন সম্পূর্ণ দালালমুক্ত এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আপনাদের মনেও একজন ন্যায়বিচারক হিসেবে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। আমার স্বামী জনাব আমিনুল হক আমিন আওয়ামীলীগের জন্য একজন নিবেদিত প্রাণ এবং ত্যাগী নেতা। দলের দুঃসময়ে উখিয়ার রাজপথে সাহসী ভূমিকা রেখে উখিয়া আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে নিজের অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছেন বহুবার। শুধুমাত্র আওয়ামীলীগ করার কারনে আমার স্বামী বিএনপি-জামায়াতের জোট সরকারের আমলে একাধিকবার কারাবরণ করেছিলেন। শুধু তাই নয়, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বিএনপি’র কতিপয় নেতার মিথ্যা অভিযোগ ও ষড়যন্ত্রের কারনে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়ে অমানুষিক নির্যাতনের শিকারও হয়েছিলেন। আমরা ধরে নিয়েছিলাম, হয়তো আমরা তাঁকে চিরতরে হারাতে যাচ্ছি। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমত এবং আপনাদের দোয়ায় তিনি জীবন নিয়ে আপনাদের মাঝে ফিরে এসে পুনরায় আপনাদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। সত্যি বলতে আওয়ামীলীগের জন্য এমন ত্যাগী এবং নির্যাতিত নেতা উখিয়া উপজেলায় খোজে পাওয়াটা খুবই দুষ্কর, যিনি দলের জন্য কেবল ত্যাগ-ই করে গেছেন, অথচ প্রাপ্তির বেলায় থেকেছেন বরাবরই অবহেলিত। আপনারা জানেন, আমার স্বামী ২০১১ এবং ২০১৬ সালে পরপর দুইবার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বতীতা করেছিলেন। প্রচুর সম্ভাবনা থাকা সত্বেও ক্ষমতা, ষড়যন্ত্র এবং ভোট ডাকাতি করে যে ওনাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই ব্যাপারে আপনারাও অবগত আছেন। সেই নির্বাচন দুটিতে আমরা কি পরিমান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তত হয়েছিলাম তা কেবল আমরাই জানি। নির্বাচনে হেরেও একটি মুহূর্তের জন্য আমার স্বামী আপনাদেরকে ছেড়ে যায়নি। বরং; ক্ষমতায় না থেকেও বিভিন্ন সময় সাবেক সংসদ সদস্য জনপ্রিয় জননেতা আমাদের রাজনৈতিক আদর্শ জনাব আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে আপনাদের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করেছেন, যা অদ্যাবদি চলমান রয়েছে। বিনিময়ে ২০১১ এবং ২০১৬ সালের সেই নির্বাচন এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আপনাদের যে সর্বাত্বক সহযোগিতা আমরা পেয়েছি তা আমাদের পরিবার আজীবন কৃতজ্ঞতার সহিত স্মরণ রাখবে।

সম্মানীত সুধী,
সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী উখিয়া-টেকনাফের কিংবদন্তীতুল্য রাজনীতিবিদ, উখিয়া-টেকনাফের গণমানুষের প্রিয় নেতা, উন্নয়নের রুপকার জনাব আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদির সুযোগ্য সহধর্মিণী জনাবা শাহিন আক্তারকে বিজয়ী করতে আমার স্বামী এবং আমার ও আমার পরিবারের ঘামঝরানো অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা আপনারা নিশ্চয় জানেন। সেই কষ্টের ফসল হিসেবে প্রিয় এমপি শাহিন আক্তারের নিরঙ্কুশ এবং ঐতিহাসিক বিজয়-ই উখিয়া-টেকনাফবাসীর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তী বলে আমি মনে করি। এসব কিছু ছিল কেবল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নামক দলটির প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা, বিশ্বাস এবং ভালবাসা। কারন, এই দলটির আহবানে এবং বাঙ্গালী জাতিরপিতা শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ১৯৭১ সালে আমার পিতা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে ভূমিকা রেখেছিলেন। এই দলটির জন্যই আমার স্বামী বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বারেবারে নির্যাতিত হয়েছিলেন, কারাবরণ করেছিলেন। এসব কারনে আমরা কখনো ভেঙ্গে পড়িনি, কখনো দল থেকে সরে যায়নি। বরং; সময়ের ব্যবধানে এই দলের প্রতি শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, ভালবাসা এবং দায়িত্ববোধ বেড়েছে বহুগুণে। যে দায়িত্ববোধ থেকে আগামী দিনেও আপনাদের পাশে থেকে আপনাদের সেবা করে যেতে চাই। যে দলের জন্য আমাদের এত ত্যাগ, এত পরিশ্রম এবং এত ভালবাসা, সেই দলের সমর্থন নিয়ে আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে যদি আপনাদের কাছে সহযোগিতা প্রার্থনা করি তাহলে নিশ্চয় সেটা অনৈতিক কিছু হবেনা। সেই বিশ্বাস থেকে আমাদের পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আসন্ন উখিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমাকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী করার। যদি আপনাদের সহযোগিতা, ভালবাসা এবং সমর্থন পাই তাহলে প্রতিজ্ঞা করতে পারি, আমি আমার পরিবার নিয়ে আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকব, আপনাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করে যাব এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকারের যুগান্তকারী উন্নয়নের ছোঁয়া আপনাদের দ্বারেদ্বারে পৌঁছে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাব ইনশাহ আল্লাহ।

প্রিয় উখিয়াবাসী, 
আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। আমার স্বামী আওয়ামীলীগের জন্য একজন নির্যাতিত এবং নিবেদিত প্রাণ। শুধুমাত্র আওয়ামীলীগ করার কারনে বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে আমার স্বামীকে র‍্যাব কর্তৃক ধরে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ক্রসফায়ারের যে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল তাতে যদি তারা সফল হতেন তাহলে আজ আমাদের পরিবারের অবস্থান এবং ইতিহাস ভিন্নরকম হত। কিন্তু জীবনের সেই চরম দুঃসময়ে আমার স্বামীর পক্ষে আপনাদের অবস্থান এবং সমর্থনের কারনে মহান আল্লাহপাক আমাদের প্রতি রহম করেন। সেই দুঃসময়ে আপনাদের কাছে যে সমর্থন এবং ভালবাসা আমরা পেয়েছিলাম তা কখনো ভুলার মত নয়। আমি এবং আমার পরিবার বিশ্বাস করে, অতীতের মত বর্তমানেও কিংবা আগামীর কোন দুঃসময়েও যদি আপনাদের সেই সমর্থন এবং ভালবাসা আমাদের সাথে থাকে তাহলে আমরা আবারও বিজয়ের হাসি হাসতে পারব ইনশাহ আল্লাহ। তাই আপনাদের সমর্থন এবং ভালবাসা-ই আমাদের একমাত্র চাওয়া।

সম্মানীত সুধী,
মানুষের চাওয়া-পাওয়ার কোন সীমাপরিসীমা নেই। কিন্তু আমার এবং আমাদের পরিবারের চাওয়াটা খুবই নগণ্য এবং তা কেবল আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকা, আপনাদের সেবা করা। যদি সেই সুযোগ আপনারা আমার হাতে অর্পন করেন তাহলে কখনোই আপনাদের বিশ্বাস এবং স্বপ্নের অমর্যাদা করবনা।

আপনাদের পাশে ছিলাম, পাশে আছি এবং পাশে থাকব ইনশাহ আল্লাহ।

ভাল থাকবেন। আল্লাহ চাইলে আবারও দেখা হবে। সেই প্রত্যাশায় শেষ করছি।

আপনাদেরই
কামরুন্নেছা বেবী,
সম্ভাব্য মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী,
উখিয়া, কক্সবাজার।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com