1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন বন্ধ হলে, দেশে যোগ ৩শ কোটি

  • Update Time : শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৯
  • ৩৫ Time View

।।জাতীয় ডেস্ক।।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেছেন, বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ হলে দেশীয় বিজ্ঞাপন বাজারে ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকা যোগ হবে। এটা আমাদের চ্যানেলগুলোর সংকট সমাধানে অনেকটা অবদান রাখবে। এসময় টেলিভিশন শিল্পকে রক্ষায় সম্প্রচার নীতিমালা বাস্তবায়নে তথ্যমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (৩০ মার্চ) শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার কন্সফারেন্স হলে ‘সংকটে বেসরকারি টেলিভিশন’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র এই আয়োজন করে।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেসরকারি চ্যানেলগুলোকে ব্যক্তিখাতে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে যে সম্ভবনার সৃষ্টি করেছেন। সে সম্ভবনাকে আজকে টিকিয়ে রাখতে হবে। আর এজন্য আমাদের যে সম্প্রচার নীতি আছে। সেটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মন্ত্রীকে ধন্যবাদ দেবো এই কারণ যে, তিনি আগামী ১ এপ্রিল থেকে কোনো বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন না দেখাতে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। আশা করবো ওই তারিখ থেকে বন্ধ না হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ওই নীতিমালা বন্ধ হলে ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন দেশের বাজারে যোগ হয়ে আমাদের চ্যানেলগুলোর সংকট সমাধানে অনেক অবদান রাখবে।’

প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, ‘ইলেকটনিক্স মিডিয়ার আজকে অবস্থানের জন্য কেবল অপারেটরদের অনেক অবদান রয়েছে। দেশীয় চ্যানেলগুলো সম্প্রচারের তারিখ ধরে তালিকা করে প্রথম দিকে থাকবে। পরে বিদেশি চ্যানেল থাকবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল বাংলাদেশে কেবল অপারেটরদেরও ডিজিটাল শিল্প হিসেবে ঘোষণা করা হোক। এতে তারাও ব্যাংক থেকে সুযোগ-সুবিধা নিতে পারবেন। তাদের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানি করতে পারবেন। এতে তিনটি স্টেক হোল্ডার মালিক পক্ষ, কেবল অপারেটর ও সরকার লাভবান হতে পারবে।’

এজন্য টেলিভিশন চ্যানেলগুলিতে শক্ত ইউনিয়ন থাকার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে এ সাংবাদিক নেতা বলেন, ‘এতে মালিকপক্ষও কিন্তু অনেকভাবেই সুরক্ষা পাবে। কারণ শক্ত ইউনিয়ন থাকলে তারা কিন্তু মালিকদের পক্ষেও দাঁড়াতে পারবে।’

অনুষ্ঠানে চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের ব্যবস্থাপনা পরিচালকে এ কে আজাদ বলেন, ‘সামনের চিত্র ভয়াবহ। রেভিনিউ কমে আসছে কিভাবে ওভারহেট কমানো যায় এগুলো নিয়ে সবাইকে ভাবতে হচ্ছে। কারণ ব্যক্তির স্বার্থের চেয়ে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ বড়। বিদেশি চ্যানেলে আমাদের বিজ্ঞাপনগুলো যেভাবে প্রচার হচ্ছে এটি বন্ধে সোচ্চার হতে হবে।’

সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সারাবাংলা ডটনেট, দৈনিক সারাবাংলা (প্রকাশিতব্য) ও জিটিভির এডিটর ইন চিফ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা।

মূল প্রবন্ধে ‘সংকটে চতুর্থ স্তম্ভ’ উল্লেখ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, ‘গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভটির ওপর নির্ভর করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা এবং সর্বোপরি সামাজিক দায়বদ্ধতা। সংকটের তীব্রতা টেলিভিশন ক্ষেত্রে এখন সবচেয়ে বেশি। ভারতীয় চ্যানেলগুলো বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে যাচ্ছে।’ এসময় বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি বিকাশে এগুলোর অবদান কি এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘গত দুই যুগে এদেশে টেলিভিশন একটি বিকাশের জায়গায় এসেছে। এই খাতে বড় পুঁজির প্রবেশ ঘটেছে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিকতা কোথায়? বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোর প্রাতিষ্ঠানিকতায় সরকারের সাহায্য কোথায়?’

সংগঠনটির আহ্বায়ক রেজওয়ানুল হক রাজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের এমডি এ কে আজাদ, সাবেক তথ্য কমিশনার গোলাম রহমান, স্কাইপি ক্যাবলের চেয়ারম্যান নূরুল আলম, চ্যানেল নাইনের সিইও নূরুল ইসলাম, খসরু সংগঠনের ট্রাস্টি সদস্য নূর জুলহাস ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক আক্তার হোসেন ছাড়াও সেমিনারে বেসরকারি চ্যানেলের মালিক, কেবল অপারেটর, বার্তা সম্পাদকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com