1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

ফের প্রার্থী হচ্ছে মাদক মামলায় কারাভোগ করা সেই মোস্তাক! 

  • Update Time : বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১
  • ২২১ Time View

বিশেষ প্রতিবেদক : কক্সবাজারের রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডে এবারও মেম্বার প্রার্থী হয়েছেন একাধিক মাদক মামলাসহ ডজন মামলার আসামি বিএনপির সাবেক নেতা শীর্ষ মাদক কারবারি মোস্তাক আহমদ। যদিও ইদানীং সে নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতা দাবি করেন।

একাধিক মাদক মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি হওয়ায় বিগত পাঁচ বছর ধরে সে মেম্বার হয়েও এলাকায় থাকতে পারেননি। বেশির ভাগ সময় তিনি কারাগার কিংবা পালিয়ে ছিলেন।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে অবৈধ মাদকের কালো টাকায় আবারো মেম্বার হতে মরিয়া হয়ে কাজ করে যাচ্ছে চিহ্নিত এ মাদক কারবারি। এ নিয়ে খুনিয়াপালং ৭নং ওয়ার্ড পূর্ব গোয়ালিয়া এলাকায় চলছে ব্যাপক সমালোচনা।

মাদক মামলায় কারাভোগ করা আসামি মোস্তাক আহমদ যুব সমাজ ধ্বংসের লক্ষ্যে সুকৌশলে কাজ করে যাচ্ছে দাবি করে স্থানীয় অনেকেই জানান, সে মেম্বার হিসেবে নির্বাচিত হলে এলাকাটি মাদকের হাটে পরিনত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১১ নভেম্বর কক্সবাজারের বিভিন্ন ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান, মহিলা মেম্বার ও মেম্বার প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা প্রদান হলেও, মনোনয়ন যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে।

এর মধ্যে রয়েছেন রামুর খুনিয়াপালং ৭নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার ও বিএনপির সাবেক এই নেতার। এ নিয়ে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি ও একাধিক মামলার আসামি কিভাবে ইউনিয়ন পরিষদের মত এত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারে এমন প্রশ্ন খুনিয়া পালংয়ের সর্বত্র।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকা ভূক্ত চিহ্নিত মাদক কারবারি মোস্তাক মেম্বার মাদক কারবার পরিচালনা করার জন্য বেশ শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারসহ সারা দেশে প্রচার করছে। মাদক নিয়ে একাধিক বার কারাগারে গেলেও ফের বের হয়ে আবারো শুরু করে মাদক কারবারি। একারণে কালো টাকার বিনিময়ে এবারও মেম্বার হতে উঠে পড়ে লেগেছে এ মাদক কারবারি।

স্হানীয় সাধারণ ভোটারারা জানান, মোস্তাক মেম্বার গত পাঁচ বছরে এলাকায় কোন উন্নয়ন করি নাই। কাগজে কলমে মেম্বার থাকলেও এলাকা ছিলো মেম্বার শূন্য।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোস্তাক আহমদ একাধিক মাদক মামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আটটি মাদকের মামলা রয়েছে, সব কয়েকটিতে জামিনে আছি।

তিনি আরো বলেন, কোন সময় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো না, বর্তমানে সে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে। এসময় তিনি নিজেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদকের আসামির বিষয়টি অস্বীকার করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com