1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

উখিয়ার রাজনীতির শার্দুল জাহাঙ্গীর চৌধুরী

  • Update Time : রবিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৬১ Time View

।।ইকবাল ফরহাদ নিলয়।।

মানদন্ড তৈরি হয়। কাজ মানদন্ড তৈরি করে দেয়। সমাজ, দেশ, জনগণের মূল্যায়নে নির্ণীত হয় এই মানদন্ড। ব্যক্তি পরিচিত হয় মানদন্ডের ভিত্তিতে। কারোর কোন সন্দেহ থাকার কথা নয় যে, বাংলাদেশের মতো দেশে মানদন্ডের মূল্যায়নে নেতিবাচক মানুষের সংখ্যা বেশি। অনেক বেশি। ইতিবাচক চরিত্র বা পজিটিভ ক্যারেক্টর খুঁজে পাওয়া বেশ কস্টকর।তবে একেবারে যে নেই, তা নয়। আছেন।

জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর কথা বলছি। বলছি উখিয়ার বর্তমান আওয়ামী রাজনীতির শার্দুল জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর কথা। নীতি নৈতিকতার মানদন্ডে তিনি উত্তীর্ণ। সততার অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। যোগ্যতা, দক্ষতায় অতুলনীয়, অনুকরণীয়।

সমাজে যখন সর্বত্র অস্থিরতা, অসততা,রাজনীতিবিদদের ইমেজ যখন নিক্তির তলানিতে, তখন মাথা উঁচু করে করে এগিয়ে চলছেন অপরাজিত জাহাঙ্গীর। গরীব দু:খী নিস্ব মানুষের বন্ধু তিনি। উখিয়ার চির অবহেলিত বঞ্চিত মানুষের কন্ঠস্বর জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী।

সুযোগের মধ্যে থেকেও সুযোগ না নেয়া, সততার প্রতি অবিচল থেকে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী। ক্ষমতার অংশীদার হয়েও ‘ক্ষমতা ভোগ’ না করা জীবন-যাপন, চাওয়া-পাওয়াকে অতি সাধারণ পর্যায়ে রাখার দৃষ্টান্ত জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী।

আমাদের রাজনীতিবিদদের বড় অংশটি সমাজে অালোচিত সুযোগ নেয়ার জন্য।জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী অালোচিত সুযোগ না নেয়ার জন্য। উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়া সত্বেও তিনি কখনো দেখাননি ক্ষমতার অহমিকা। থেকেছেন সাধারণ হয়ে।

কঠিন ব্যক্তিত্বের অধিকারী জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী বিলাসবহুল গাড়ীতে বসে রঙিন-চশমা দিয়ে উখিয়াকে দেখেন না।দেখেন সাদা চোখে হৃদয় দিয়ে।

বর্তমান সরকার দিনবদলের কথা বলেছে।মানুষ বিশ্বাস করেছে।দিনবদল বলতে মানুষ বুঝেছে দেশের দিনবদল।অতীতের মতো সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, অামলাদের দিনবদল মানুষ দেখতে চায়নি। সুযোগ পেয়েই কোটি কোটি টাকার গাড়ী কেনার রাজনীতিবিদ দেখতে চাননি।

উখিয়ার মানুষ কেমন নেতা পছন্দ করে? উত্তর হতে পারে জাহাঙ্গীর চৌধুরীর মতো।জাহাঙ্গীর চৌধুরীর মতো নেতার সংখ্যা আওয়ামীলীগে যত বেশি হবে ততই মঙ্গল শেখ হাসিনার জন্য তো বটেই, দেশের জন্যও।

দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী দলকে করেছেন গতিশীল।প্রাধান্য দিয়েছেন তারুণ্যকে। দল পরিচালনায় দিয়েছেন যোগ্যতা ও দক্ষতার পরিচয়। দল পরিচালনার পাশা-পাশি সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনায় রেখেছেন সততার সহিত প্রশংসনীয় ভূমিকা। নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তাঁর নিজ ইউনিয়ন রাজাপালংবাসীকে। রাজাপালং’র মানুষকে তিনি মুক্ত করেছেন স্বার্থান্বেষী একটি রাজনৈতিক পরিবারের শাসন-শোষণ থেকে।

একজন মানুষের শুধু ইতিবাচক দিক-ই থাকেনা। থাকে নেতিবাচক দিকও। সবকিছু মিলিয়েই মানুষ। সিদ্ধান্ত গ্রহণে জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী গণমানুষের পক্ষে একরোখা। অনেকে তাই বলে থাকেন। তবে কেউ তাঁর ‘দোষ’ আবিষ্কার করতে পারেননি। জাহাঙ্গীরর কবির চৌধুরী একরোখা। সাধারণ মানুষের স্বার্থ দেখার ক্ষেত্রে তিনি আপোসহীন। দলের দু:সময়ে, নেত্রীর বিপদসঙ্কুল সংকটময় পরিস্থিতিতে জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ছিলেন তার নীতিতে অটল। শত লোভ প্রলোভন উপেক্ষা করেছেন। প্রতিকূলের যাত্রীর মতো নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেছেন। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় পরিচয় দিয়েছেন সাহসিকতার। যার কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে হয়েছেন স্নেহধন্য।

গরীব মেহনতি মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য, উখিয়া-টেকনাফবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য, শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য আওয়ামীলীগে প্রয়োজন আরও অনেক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর। একটি দেশের রাজনীতিতে যদি এমন রাজনীতিকের সংখ্যা একাধিক থাকে- সন্দেহ নেই সেটা আশীর্বাদ হয়ে দেখা দেবে, দেশ- সরকার সবার জন্যই। দেশ জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর মতো অনেক রাজনীতিক প্রত্যাশা করে। আমরা সে প্রত্যাশায়।

লেখক: সংগঠক

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com