1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

পৌরসভার ডিজিটাল সেন্টার নিয়ে প্রচারিত সংবাদ প্রসঙ্গে কক্সবাজার পৌর কর্তৃপক্ষের বিবৃতি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ৬৯ Time View

“পৌরসভার ডিজিটাল সেন্টারে টাকা ছাড়া সেবা মিলেনা” শিরোনামে অনলাইন মিডিয়া টিটিএনে প্রচারিত অসত্য সংবাদটির তথ্য বিভ্রাট নানা অসঙ্গতি নিয়ে ব্যাখ্যাসহ বিবৃতি পাঠিয়েছেন কক্সবাজার পৌর কর্তৃপক্ষ।

ওই রিপোর্টে জনবিভ্রান্তিকর কিছু তথ্য উল্লেখ রয়েছে, যা বিন্দুমাত্রও সঠিক নয়। ফলে পৌরসভার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের চরম মানহানি হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
কারণ, পৌর আঙ্গিনায় ডিজিটাল সেন্টারটির অবস্থান হলেও মুলত: সেটি নিয়ন্ত্রণ করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের অধিনে সীমিত পরিসরে মাত্র দু’জন স্টাফ দ্বারা এই সেবা সেন্টার পরিচালিত হয়ে আসছে।
যেহেতু সেন্টারের দু’জন স্টাফই উদ্যোক্তা (একজন নারী ও একজন পুরুষ) সেহেতু প্রকল্প থেকে তাদের কোন বেতন-ভাতা নেই। তবে কেবলমাত্র অনলাইন সেবা প্রার্থীদের কাছ থেকে যতসামান্য ৫, ১০, ২০, ৩০, ৪০, ৫০ কিংবা মাত্র ১০০টি টাকা নেয়া হয় সেগুলোই তাদের কষ্টের প্রাপ্তি। তাছাড়া সেই টাকা আদায়ের ক্ষেত্রেও এটুআই প্রকল্পের পরামর্শ রয়েছে।

শুধু তাই নয়, জন্মনিবন্ধন, হজ্ব যাত্রীদের প্রাক নিবন্ধন, অনলাইন ভিসা প্রসেস, বিদ্যুৎ বিল, পাসপোর্ট, জমির খতিয়ান, স্কুল কলেজের উপ-বৃত্তির আবেদন, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মোবাইল ব্যাংকিং, এয়ার টিকিট, চাকরির আবেদন, সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধনীর আবেদনসহ পৌর নাগরিকদের সব ধরনের অনলাইন সেবা দেয় এই সেন্টার। আর জেলা ভিত্তিক সবগুলো সেন্টারের কর্ম প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের মাধ্যমে বেশি টাকা উপার্জনকারী তরুণ উদ্যোক্তাদের পুরস্কৃতও করা হয় এটুআই প্রকল্পের ত্রৈমাসিক মূল্যায়ন সভায়।

বিশেষ করে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলাগুলোতে জেলা প্রশাসক সেইসব সফল উদ্যোক্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া টিটিএনের ওই রিপোর্টে সামান্য ২০ টাকা নেয়ার ছবিও কোটি টাকা অবৈধ ঘুষ লেনদেনের মতো করে প্রচার করেছে, যা খুবই দুঃখজনক।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা, ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার সজিব ওয়াজেদ জয় মহোদয়ের নেতৃত্বে তরুণ উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় সারাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভাগুলোতে এ ধরনের অনলাইন সেবা প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। যেখান থেকে মানুষ খুব সামান্য টাকা খরচে অনলাইন সেবাগুলো পেয়ে থাকেন।

তারপরও নাগরিক সেবায় দুর্ভোগ কিংবা কোন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে নিশ্চয়।

পরিশেষে আগামীতে ভালভাবে যাচাই-বাছাই করে সঠিক তথ্যনির্ভর এবং মানবিক সংবাদ প্রচারে গণমাধ্যমগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমনটাই প্রত্যাশা করছি।

মুজিবুর রহমান
মেয়র
কক্সবাজার পৌরসভা।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com