1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

কক্সবাজার নিরাপদ ভ্রমণে ৪ লেন সড়ক

  • Update Time : শনিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০১৯
  • ৮৭ Time View

।।সারাদেশ ডেস্ক।।

কক্সবাজারের পর্যটকদের আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমন নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে লিংক রোড থেকে লাবনী মোড় পর্যন্ত সড়কটি চার লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। এ জন্য ‘লিংক রোড-লাবনী মোড় সড়ক (এন ১১০) চার লেনে উন্নীতকরণ’ নামের একটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। এটি বাস্তবায়নে খরচ হবে ২৮৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

রকার। এ লক্ষ্যে লিংক রোড থেকে লাবনী মোড় পর্যন্ত সড়কটি চার লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। এ জন্য ‘লিংক রোড-লাবনী মোড় সড়ক (এন ১১০) চার লেনে উন্নীতকরণ’ নামের একটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। এটি বাস্তবায়নে খরচ হবে ২৮৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের ভ্রমণ আরামদায়ক ও নিরাপদ হবে এবং শহরটির যানজট নিরসন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা সারাবাংলাকে জানান, প্রস্তাবিত প্রকল্পটি চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দহীনভাবে অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর গত বছরের ১৬ অক্টোবর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওই সভায় দেওয়া সুপারিশের আলোকে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পুনর্গঠন করা হয়েছে। ফলে আগামী মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে। অনুমোদন পেলে চলতি বছর থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, কক্সবাজার বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন নগরী। প্রতিবছর দেশ বিদেশের পর্যটকরা পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন। লিংক রোড কক্সবাজার সড়কটি কলাতলী মোড় হয়ে হোটেল-মোটেল জোন অতিক্রম করে লাবনী মোড়ে এসে শেষ হয়েছে। সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ৮ দশমিক ২০ কিলোমিটার। সড়কটি পর্যটন নগরীর ব্যস্ততম সড়ক, হোটেল-মোটেল জোনের প্রবেশ দ্বার এবং কক্সবাজারের অধিকাংশ হোটেল-মোটেল এ সড়কটির দুপাশে অবস্থিত। ফলে পর্যটকবাহী বিভিন্ন প্রকার যানবাহনের কারণে সড়কে যানজট লেগে থাকে। বর্তমানে সড়কটির প্রস্থ ৭ দশমিক ৩০ মিটার যা ক্রমবর্ধমান যানবাহনের জন্য অপ্রতুল। সড়কটি ৪ লেনে উন্নীত করা প্রয়োজন। এ জন্য প্রকল্পের আওতায় ৮ দশমিক ২০ কিলোমিটার সড়ক ২ লেন হতে ৪ লেনে উন্নয়নের জন্য সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ হতে মোট ১৯৪ কোটি ৩৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৮ সালের মার্চ হতে ২০২১ সালের জুনে বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটির ওপর গত বছরের ২২ এপ্রিল প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। পিইসি সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ মোট ২১৪ কোটি ২০ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে এবং ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর হতে ২০২১ সালের জুনে বাস্তবায়ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পুনর্গঠনপূর্বক অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায়।

পরবর্তীতে এই পুনর্গঠিত ডিপিপির ওপর ১৬ অক্টোবর পুনরায় পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় পিইসি সভায় লাহারপুর-ঝিনুক মার্কেট-লাবনী মোড় আঞ্চলিক মহাসড়কটির যে অংশটুকু কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ৪ লেনে উন্নয়নের প্রস্তাব হতে বাদ দেওয়া হয়েছে সে অংশটুকু ৪ লেনে উন্নয়নের জন্য লিংক রোড লাবনী মোড় সড়ক চার লেনের উন্নীতকরণ শীর্ষক প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করে সে অনুযায়ী ডিজাইন ও ব্যয় প্রাক্কলনের সুপারিশ করা হয়।

সে অনুযায়ী কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত লাহারপুর-ঝিনুকমার্কেট-লাবনী মোড় আঞ্চলিক মহাসড়কটির বাদ পড়া ১ দশমিক ৪৪ কিলোমিটার অংশ ২ লেন হতে ৪ লেনে উন্নীতকরণের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ডিপিপি পুনর্গঠন করেছে। ফলে প্রস্তাবিত সড়কের মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম গুলো হচ্ছে শূন্য দশমিক ৫৪ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণ, ১ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার ঘন মিটার সড়ক বাঁধে মাটির কাজ, ৯ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার সার্ফেসিং, ৪ লাখ ৮৮ হাজার সসার ড্রেন নির্মাণ, ৭ দশমিক ৪৪ কিলোমিটার রোড মিডিয়ান নির্মাণ, ১০৫ মিটার আরসিসি বক্স কালভার্ট প্রশস্তকরণ এবং ৪ লাখ ২৬ হাজার ৪০ হাজার বর্গমিটার রোড মার্কিং করা হবে।

এ বিষয়ে প্রকল্পটি প্রক্রিয়াকরণের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য সুবীর কিশোর চৌধুরী একনেকের জন্য তৈরি করা প্রকল্পের সার-সংক্ষেপে উল্লেখ করেছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজার আগত পর্যটকদের ভ্রমণ আরামদায়ক ও নিরাপদ হবে এবং শহরের যানজট নিরসন হবে। তাই প্রকল্পটি অনুমোদনযোগ্য।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com