1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

আমার দেখা একজন পরিছন্ন রাজনীতিবিদ আশেক উল্লাহ রফিক, এমপি

  • Update Time : শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৪২ Time View

আমার রাজনৈতিক জীবনে খুব কাছ থেকে দেখেছি কুতুবদিয়া-মহেশখালীর মাননীয় সংসদ সদস্য, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশেক উল্লাহ রফিক’কে। আমি চট্টগ্রামে লেখাপড়া করার সময় প্রয়াত জননেতা এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। তিনি প্রথমবার মেয়র নির্বাচনে সক্রিয় কর্মী হিসেবে রাত দিন কাজ করে প্রিয় নেতাকে বিজয়ী করেছি। তখনও বর্তমান সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক চট্টগ্রামে ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী কমার্স কলেজে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে দিয়েছেন। একবার ভিপি ও একবার জিএস নির্বাচিত হয়ে কক্সবাজার বাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগেও নেতৃত্ব দিয়েছেন। তখন দেখেছি একজন পরিচ্ছন্ন ছাত্রনেতা হিসেবে। ছাত্র রাজনীতি শেষে তিনি যখন কক্সবাজার আওয়ামী লীগে কাজ শুরু করেন, শুরুতে তাঁকে কাছে না পেলেও প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন দলীয় মনোনয়ন এবং তারও আগে এই পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবীদের সাথে আমি সক্রিয় ভাবে রাজনীতি অংশগ্রহণ করি। তিনি আমাদেরকে ত‍্যাগের রাজনীতি শিখিয়েছেন। দলাদলির রাজনীতি থেকে বিরত থাকতে নেতাকর্মীদের সদা নির্দেশনা দিয়েছেন। যা একজন আদর্শবান নেতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। মহেশখালী কুতুবদিয়া বাসীর ভাগ্য উন্নয়নের দায়িত্ব পেয়েছেন দুইবার। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সম্প্রতি ৯ বছর অতিবাহিত হয়েছে। একজন সংসদ সদস্যের কাছ থেকে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের যা প্রাপ্য তিনি অক্ষর অক্ষরে  পালন করেছেন। বিগত সময়ে সরকারের বরাদ্দ কোথায় যাচ্ছে,  কে নিচ্ছে  তার হ‍দিস না থাকলেও আশেক উল্লাহ  রফিক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যথাযথ বরাদ্দ করেছেন। এলাকার কি উন্নয়ন হয়েছে তা বলতে গেলে অনেক ফিরিস্তি। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রায় শতাধীক কালভার্ট নিমির্মিত হয়েছে বিভিন্ন গ্রামে। যেখানে অতীতে সাঁকো দিয়ে মানুষ পারাপার করত, যেখানে  কয়েকটি বসতবাড়ি সেখানেইএকটি কালভার্ট হয়েছে। লবণের নিয়ে নিশ্চিত করতে নিয়ে অনেক পরিশ্রম করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরে তিনি অবিহিত করে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করেছেন। আমি বড় ধরনের উন্নয়নের দিকে যাচ্ছি না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে তাকালে দেখা যায় শিক্ষা ব্যবস্থার কত উন্নয়ন হয়েছে। প্রায় ৯৫ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবকাঠামো  গত ভাবে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। প্রায় ২০টি অধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হয়েছে। ছয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয় নতুনভাবে স্থাপিত হয়েছে। মহেশখালীর প্রধান সড়কের উন্নয়ন  অভূতপূর্ব। অচিরেই স্থাপিত হতে যাচ্ছে একটি টেকনিক্যাল কলেজ। বিগত সময়ে একজন সংসদ সদস্যের কাছে সাধারণ মানুষ যেতে ভয় করলেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সাধারণ মানুষের সাথে মিশে গেছেন। একজন সংসদ সদস্য থেকে কি পরিমান মানুষ সহযোগিতা পায় তা অক্ষর অক্ষরে বুঝেছেন সাধারণ মানুষ। দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সংসদ সদস্যের কাছে  সহজেই  মনোভাব প্রকাশ করতে পারেন। এটি দলের ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের সাফল্য। নেতার কোন ভাব ছিল না বিগত ৯ বছর। যার কারণে নেতাকর্মীরা সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক’কে নিয়ে আশান্বি হয়েছেন। আগামীতে একই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে এটিই মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রার্থনা করি। তিনি দীর্ঘ কক্সবাজার এবং মহেশখালী উপজেলার রাজনীতিতে কোন ব্যক্তিগত বলয় সৃষ্টি করার চেষ্টা করেননি। প্রতিহিংসার রাজনীতি এলাকা থেকে বিতাড়িত করেছেন। সকল পক্ষকে সাথে নিয়ে রাজনীতি করেছেন, যার সুফল দলীয়ভাবে এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নেতাকর্মীরা এখন ভোগ করছেন। একজন অমায়িক আদর্শবান নেতা হিসেবে এবং দলের দায়িত্বের প্রতি অত্যন্ত দায়িত্ববান একজন নেতার সাথে একান্তে কাজ করতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। আমি এমন একজন নেতার সাথে কাজ করেছি যাকে দুর্নীতি, স্বজন প্রীতি, এবং দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ড স্পর্শ করতে পারেনি। উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তিনি দলের প্রার্থীর বিপক্ষে কোন সময় কথা বলেননি। দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী শেখ হাসিনার মুখ উজ্জ্বল করতে কাজ করেছেন। এটি শুধু কক্সবাজার জেলায় নয় এটি বাংলাদেশের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। কুতুবদিয়া উপজেলায় নারী শিক্ষার উন্নয়নে তিনি একটি মহিলা কলেজের স্থাপন করেছেন। কুতুবদিয়ার মানুষ যে বিষয়টি স্বপ্নেও ভাবেনি সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে জাতীয় গ্রেড থেকে বিদ্যুৎ সম্প্রচার তা এখন বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে। এই উপজেলায় সাধারণ নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে একটি আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে মাননীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ  রফিক এর। সাধারণ নেতাকর্মীদের দৃষ্টিতে তিনি শুধু উপজেলার নয় জেলার নেতৃত্ব দেওয়ার যথেষ্ট যোগ্যতা রাখেন। যিনি সার্বক্ষণিক দলকে নিয়ে ভাবেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। যার কাছে কোন দলীয় বিভেদ নেই। দলের নেতা কর্মীরাই দলের প্রাণ। তাদের নিয়ে তিনি কাজ করেন। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে  গিয়ে তিনি কোন কাজ করেননি। জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অঢেল বিশ্বাস রেখে কাজ করায় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি আরো গ্রহণযোগ্য হয়েছে । মহেশখালী কুতুবদিয়ার নেতাকর্মীরা এমন একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ কে সংসদ সদস্য হিসেবে পেয়ে সত্যিই উৎফুল্ল এবং সৌভাগ্য। তিনি দীর্ঘ ৯ বছর শাসক নয়, সেবক হিসেবে কাজ করেছেন। নেতাকর্মীদের যেখানে সমস্যা সেখানে ছুটে গেছেন। যেখানে দুর্যোগ সেখানে সাহসিকতার সাথে মোকাবেলা করেছেন। শেখ হাসিনার উন্নয়ন কার্যক্রম মহেশখালী কুতুবদিয়ার প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন।  তিনি আন্তরিক বলেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত একাধিক মেগা প্রকল্প মহেশখালীতে বাস্তবায়িত হয়েছে। মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর অন্যতম। যেটি আগামীতে বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে অর্থনীতির হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মহেশখালী কুতুবদিয়া তথা কক্সবাজার জেলার কোন নেতকর্মী এই প্রিয় নেতার কাছে অসম্মানিত হয়নি। তিনি যাকে যেভাবে সম্মান করা প্রয়োজন সেভাবে সম্মান করেছেন। যাকে স্নেহ করা প্রয়োজন তাকে স্নেহ করেছেন, সহযোগিতা করেছেন। নেতাকর্মীদের দুর্দিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমরা দেখেছি এলাকায় একজন এমপি হলে তার ভাই এবং আত্মীয়-স্বজনরাও এমপির মত আচরণ করে। এমন কোন আচরণ আশেক উলাহ রফিক এমপি এর পরিবার থেকে মানুষ কখনো দেখেনি। বরং পেয়েছেন সম্মান ও সহযোগিতা। এটি একটি দৃষ্টান্ত। এমন একজন পরিচ্ছন্ন  একজন নেতার ব্যাপারে লিখে শেষ করা যাবে না। এটি সংক্ষিপ্ত টি লেখা। সবাইকে ধন্যবাদ।

খোদা হাফেজ, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

সৈয়দুল কাদের, প্রেস সহকারী, মাননীয় সংসদ সদস‍্য।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com