1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

৪০ শতাংশ ধর্ষণের রিপোর্ট আসে নেতিবাচক

  • Update Time : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ১০৭ Time View

ডিবিডি ডেস্ক : ধর্ষণের ক্ষেত্রে ঘটনার সত্যতা পেতে ফরেনসিক রিপোর্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ, যার উপর ভিত্তি করেও অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাজা নির্ধারিত হয়।

কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগিরা অভিযোগ জানাতে দেরি করেন কিংবা না বুঝে ধর্ষণের আলামত নষ্ট করে ফেলেন। ফলে ধর্ষণের শিকার হওয়া সত্ত্বেও ফরেনসিক রিপোর্টে কোন প্রমাণ মেলে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভুক্তভোগিদের অজ্ঞতা এবং নানান জটিলতায় কমপক্ষে ৪০ শতাংশ ফরেনসিক রিপোর্ট আসে নেতিবাচক।

৩ বছর আগে বনানীর রেইন ট্রি হোটেলে আটকে রেখে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় প্রাথমিক সত্যতা মিললেও ৪০ দিন পর ফরেনসিক পরীক্ষা করা হলে রিপোর্টে ধর্ষণের কোন আলামত পাওয়া যায় নি। আমরাই পারি জাতীয় সমন্বয়কারী জিনাত আরা হক বলেন,’অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ঘটনাটা ঘটার অনেক দিন পর আমাদের কাছে এভিডেন্সগুলো আসে। যার প্রেক্ষিতে এভিডেন্স থেকে আমরা ডিএনএ প্রোফাইলগুলো ঠিকমতো পাচ্ছি না। ক্রিমিনালকে ডিটেক্ট করা যাচ্ছে না। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মিথ্যা মামলা হয়েছে কিনা। রেপ হলে ওয়াশআউট হয়ে গিয়েছে কিনা এমন অনেকগুলো ফ্যাক্টরের উপর ডিপেন্ড করে।’

সারাদেশে তিনটি ফরেনসিক ল্যাব থাকলেও ডিএনএ পরীক্ষা করা যায় শুধু সিআইডির সদর দপ্তরে স্থাপিত ল্যাবে। এখানে গত বছর ১৮৯৩ টি ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়েছে। চলতি বছর আগস্ট পর্যন্ত এই সংখ্যা ১৩৬৮ টি। ৭০ শতাংশ ফরেনসিক পরীক্ষা হয় ধর্ষণের ক্ষেত্রে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের হিসেবে প্রতিপ্রবছর প্রায় সাড়ে ৩ হাজারের মতো ধর্ষণের আলামত পরীক্ষা হয়। তাদের নিজেদের কোন ফরেনসিক ল্যাব না থাকায় পাঠাতে হয় বিভিন্ন বিভাগে। ফলে রিপোর্ট পেতে লাগে কমপক্ষে ১ মাস। এছাড়াও রয়েছে লোকবল সংকট। ঢাকা মেডিক্যাল ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ জানান,’লোক কম তাই সময়মতো আমরা রিপোর্ট দিতে পারি না। পুলিশের কাছে যখন যায়, পুলিশ কেইস পসিডিওর মেইন্টেন করে পাঠাতে পাঠাতে অনেক ক্ষেতে অলামত নষ্ট হয়ে যায় সিস্টেমের জন্য।’

ধর্ষণের শিকার হলে ভুক্তভোগিদের যেসব মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে তা হলো- ১. সরাসরি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানানো ২. ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ফরেনসিক পরীক্ষা করানো ৩. আলামত যেন নস্ট না হয় তাই যৌনাঙ্গ ধুয়ে না ফেলা কিংবা গোসল থেকে বিরত থাকা ৪. পরিধেয় কাপড় শুকনা রাখা ও অনান্য প্রমাণ সংরক্ষণ করা।

তবে ধর্ষণের ক্ষেত্রে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ফরেনসিক পরীক্ষা করাতে আদালতের নির্দেশনা থাকলেও পর্যাপ্ত ল্যাবের অভাব ও নানা জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে তা সম্ভব হচ্ছে না।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com