1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

হলদিয়ায় পুরাতন রোহিঙ্গারা ভোটার হয়ে ইয়াবা ব্যবসা সহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৮৯ Time View

শরীফ আজাদ :

উখিয়ার হলদিয়া পালং ইউনিয়নে শত শত রোহিঙ্গারা জাতীয় পরিচয় পত্র নিয়ে ঘুরছে। এসব রোহিঙ্গারা ইয়াবা ব্যবসা করে আঙ্গুল ফুলে বটগাছ হয়ে গেছে। কেউ কেউ আবার আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে মোটা অংকের টাকা দিয়ে জামিনে চলে আসছে। ভোটার হওয়া রোহিঙ্গারা নিজের নামে জায়গা কিনে বসত বাড়িও করছে। রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয় পত্র বাতিলের দাবীতে গন স্বাক্ষর করেছে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সচেতন মহল।

অভিযোগ উঠেছে তথ্য গোপন করে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ উঠেছে একই পরিবারের ৮ সদস্যদের বিরোদ্ধে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে আবুল আলম নামের একজন বাদী হয়ে ঢাকা আগারগাঁও প্রধান নির্বাচন কমিশনার সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন ইতিমধ্যে।

সরজমিন অনুসন্ধানে দেখাযায়, হলদিয়া পালং ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় ভোটার হয়েছে শত শত রোহিঙ্গারা। ছাবের আহাম্মদ (২২১৭৭৯০০০০৫৮), ফারুক আহাম্মদ(২২১৭৭৯৮০৭৫৩২), ফজল আহাম্মদ (২২১৭৭৯৮৮১৫৮৫), তিন জনের পিতা-মোজাহের মিয়া, মাতা-দিল ফরাজ, গ্রাম-পাতাবাড়ি, পাগলির বিল, হলদিয়া, উখিয়া, আজিজা বেগম (২২১৭৭৯৮৮১৫৮৩), পিতা- ফজল আহাম্মদ, স্বামী-নুরুল আলম, তাহেরা বেগম, স্বামী-ফজল আহাম্মদ, মাতা-জমিলা খাতুন, গ্রাম-পাতা বাড়ী। এই পরিবারে সবাই রত্নাপালং ইউনিয়নের মোজাহের মিয়ার খতিয়ান সংগ্রহ করে মোজাহের মিয়াকে পিতা বানীয়ে ভোটার হয়েছে। অথচ মোজাহের মিয়ার ওয়ারিশ সনদে তাদের কারো নাম নেই। ইদ্রিস মিয়া, মুসা মিয়া, মোঃ আমিন, মোঃ ইসমাইল, আরেফা বেগম, শাহানু বেগম, মোঃ ইশা সাইদি পিতা ফজল আহাম্মদ মাতা তাহেরা বেগম খুনিয়া পালং ইউনিয়নের দারিয়ার দিঘী এলাকায় ভোটার হয়ে গেছে।

স্থানীয় আবুল আলম বলেন- “রোহিঙ্গাদের ভোটার করেছে এলাকার কিছু দালাল চক্র। এসব দালাল চক্রের প্রধান হচ্ছেন ভূমি অফিসের দালাল আব্দু রহমান মুন্সি। আমরা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছি। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আব্দু রহমান মুন্সির সাথে কথা বলার জন্য একাধিক বার তার মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এলাকায় গিয়ে জানাযায়, এ আব্দু রহমান মুন্সি রোহিঙ্গা দিয়ে এক সময় নিয়মিত ইয়াবার চালান পাঠাত। তার ইয়াবার চালান নিয়ে দৈয়দ নুর পুলিশের হাতে গ্রাপ্তারও হয়েছিলো। তারপর থেকে দালাল আব্দু রহমান মুন্সি এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। এ ছৈয়দ নুরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছেন এই আব্দু রহমান মুন্সি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে মুক্তার আহাম্মদ জানান, “আব্দু রহমান মুন্সি আমাকে পিতা সাজিয়ে রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুর কে ভোটার করেছে। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।”

হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সরওয়ার কামাল বাদশা বলেন, “কয়েক দিন আগে আমার এলাকার একজন রোহিঙ্গা ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে। তখন জানতে পারি সে আমার এলাকার ভোটার। ভোটার তালিকা দেখে জানতে পারি মুক্তার মিয়াকে পিতা সাজিয়ে ভোটার করা হয়েছে। তবে মোক্তার মিয়া কিছু জানেনা। আমার এলাকায় এ রকম আরো অনেক রোহিঙ্গা ভোটার আছে।”

হলদিয়া পালং ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ফজল করিম জানান, “আমার এলাকায় অনেক রোহিঙ্গা আছে। তারা মাদক সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। তাদের কারনে আমাদের এলাকার পরিবেশ নষ্ট করেছে।”

প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা ভাষা সৈনিক বাদশা মিয়া চৌধুরি বলেন, “জীবনে অনেক চেষ্টা করেও রোহিঙ্গাদের তাড়াতে পারিনি। এখানে কিছু খারাপ মানুষ আছে। আব্দু রহমান মুন্সি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অনেক রোহিঙ্গা কে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com