1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

যারা এখনও আত্মসমর্পণ করেননি তারা কেউ রেহাই পাবেন না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • Update Time : শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৯
  • ২৬ Time View

ডিবিডিনিউজ২৪ ডেস্ক :

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘যারা এখনও আত্মসমর্পণ করেননি, তারা এখনও সময় আছে দ্রুত আত্মসমর্পন করুন। না হলে পরিণতি ভালো হবে না। কারণ, প্রত্যেকের নাম পরিচয় আমাদের হাতে চলে এসেছে। একই সঙ্গে তাদের সহায়তাকারী প্রভাবশালী গডফাদারদের তালিকাও হচ্ছে। কেউ রেহাই পাবেন না। যারা আজ আত্মসমর্পণ করছেন তাদের আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের কর্মসংস্থানের জন্য সরকার প্রস্তুত।’

শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে। মহেশখালী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সুন্দরবন দস্যু মুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশকে সন্ত্রাস ও দস্যু মুক্ত করা অব্যাহত রয়েছে। সরকার আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের অনুদানও দিচ্ছে।’

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, ‘যারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আত্মসমর্পন করতে এসেছেন তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। আর যারা এখনও আত্মসমর্পণ করেননি তারা সময় থাকতে আইনের আওতায় চলে আসুন। না হয় পরিণতি ভালো হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ জনগণের বন্ধু। পুলিশ সব সময় জনগণের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে। কেউ যদি পুলিশকে কোনও তথ্য দিতে চান, তাহলে ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে সাহায্য নিতে পারেন।’

পরে একে একে আয়ুব বাহিনী, বদাইয়া বাহিনী, গুরা কালু বাহিনী, কালা জাহাঙ্গীর বাহিনী, জিয়া বাহিনী, করিম বাহিনী, সিরাজ বাহিনী, স্বপন বাহিনী, মিন্টু বাহিনী, আবু শামা বাহিনী ও নুর মোহাম্মদ বাহিনীর ৯৬ জন জলদস্যু ও অস্ত্র কারিগরের হাতে অস্ত্রের বদলে ফুল তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। ওই অনুষ্ঠানে ১২টি বাহিনীর ৯৬ জন জলদস্যু ও অস্ত্রকারিগর আত্মসমর্পণ করেন। একই সঙ্গে জলদস্যুদের কাছে মজুদ থাকা ১৩টি রাইফেল, ১টি দেশীয় তৈরি দুই নলা বন্দুক, ১৪১টি এক নলা বন্দুক এবং ২৮টি রাইফেলের গুলি ও ২৫৫টি বন্দুকের কার্তুজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া হয়। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম এসময় হস্তান্তর করা হয়।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি গোলাম ফারুক, চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আশরাফুল আফসার, জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনসহ অনেকেই।

উল্লেখ্য ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর র‌্যাবের মাধ্যমে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার ৪৩ জলদস্যু আত্মসমর্পণের পর ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় অনেক শীর্ষ দস্যু ও অস্ত্র কারিগর। যার কারণে বিভিন্ন পাহাড় ও সাগর উপকূলে অভিযান বাড়ায় পুলিশ। অভিযানের মুখে আবারও আত্মসমর্পণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া ও পেকুয়ার দস্যু ও অস্ত্র কারিগররা।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com