1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে মিন্নিসহ দুজনের আপিল

  • Update Time : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৪২ Time View

ডিবিডি ডেস্ক : বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ও আসামি মোহাইমিনুল ইসলাম ওরফে সিফাতের পৃথক আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই দুজনের জরিমানাও স্থগিত করা হয়েছে।

দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ওই দুজনের করা পৃথক আপিলের গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানি নিয়ে আজ বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

ওই মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে মিন্নিসহ ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড হয়।

দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে ছয় আসামি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৃথক আপিল করেন।বিজ্ঞাপন

গত ১৩ অক্টোবর দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে তিন আসামির আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। তাঁরা হলেন রেজওয়ান আলী খান ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান ও আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজীর আপিল করেছেন। তবে কোনো আদেশ হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।

আজ আদালতে মিন্নির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম। সিফাতের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী বদিউজ্জামান তপাদার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন।

আইনজীবী মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মিন্নির করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। এই আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিচারিক আদালতের রায়ে তাঁকে দেওয়া ৫০ হাজার টাকার জরিমানা স্থগিত করা হয়েছে।

রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণা করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ। নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নি। শুরুতে মিন্নি এই মামলার প্রধান সাক্ষী ছিলেন। পরে তাঁকেও আসামি করে পুলিশ অভিযোগপত্র দেয়। বিচারিক আদালতের রায়ে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে মিন্নিসহ ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও জরিমানা করা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর পাঁচ আসামি হলেন রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজী (২৩), আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন (২১), মোহাইমিনুল ইসলাম ওরফে সিফাত (১৯), রেজওয়ান আলী খান ওরফে টিকটক হৃদয় (২২) ও মো. হাসান (১৯)।বিজ্ঞাপন

আপিল করতে চাইলে আদেশের সাত কার্যদিবসের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তা করতে হবে বলে বিচারিক আদালতের রায়ে বলা হয়। ওই হত্যা মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্সের (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) জন্য বিচারিক আদালতের রায়সহ নথিপত্র গত ৪ অক্টোবর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছে। অন্যদিকে, দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ছয় আসামি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৃথক আপিল করেন।

আইনজীবীরা বলছেন, ডেথ রেফারেন্স শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরি করতে হয়। পেপারবুক তৈরির পর নির্ধারিত বেঞ্চে ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য ওঠে। আর ডেথ রেফারেন্স ও দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিলের ওপর একসঙ্গে শুনানি হয়ে থাকে। এর আগে আসামিদের আপিলের ওপর গ্রহণযোগ্যতার শুনানি হয়ে থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com