1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসেন লুঙ্গি পড়ে, জাতীয় দিবসও মানেন না !

  • Update Time : শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৯
  • ২৬ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক :

উখিয়ার পশ্চিম হলদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসেন লুঙ্গিপড়ে, বিদ্যালয়ের কুমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে সিগারেট কিনে অফিসে বসেই সিগারেট খায়। বিদ্যালয়ে তিনি ঠিক মত পতাকাও তোলেন না। এমন কি জাতীয় দিবসও মানেন না। অভিযোগ আছে ছাত্রীদের যৌন হয়রানিরও।

তার আপন বড় ভাই বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়ায় কোন নিয়মই তিনি মানে না। প্রধান শিক্ষকের ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে প্রতিনিয়ত নিয়মকে অনিয়ম করেই চলেছে। এমন কি মেনেজিং কমিটির মিটিং এর চিঠি পায়না কমিটির সদস্যারা। এলাকাবাসী বলেন এ যেন দুই ভাইয়ের সিন্ডিকেট।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে এলাকাবাসী বলেন, প্রধান শিক্ষক ছৈয়দ হোসনের সেচ্চাচারিতার কারণে এই বিদ্যালয়ের অহরহ ছাত্রীকে শীলতাহানীর শিকার হতে হয়। প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত তাই বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা নিয়মের তোয়াক্কা করেনা। প্রধান শিক্ষক নিজে এ ধরনের শীলতাহানীর ঘটনা ঘটিয়েছে অনেক বার। কিন্তু তার বড় ভাই মোহাম্মদ ইসহাক বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়ার ক্ষমতার প্রভাবে অভিবাবকরা তার বিরোদ্বে কথা বলার সাহস পায় না।

এলাকাবাসী প্রতিবেদকের সহযোগিতা কামনা করে বলেন আপনারা সংবাদটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পৌছে দিয়ে প্রধান শিক্ষক সহ সব শিক্ষককে বদলি করাতে পারলে এই এলাকার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক ভাল হবে।

মেনেজিং কমিটির সদস্য ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বলেন, আমি অনেক অভিযোগ শুনেছি। সভাপতিকে অনেক বার বলেছি। প্রধান শিক্ষক সভাপতির ভাই হওয়ায় তেমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি করলে বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হতো।

জনপ্রতিনিধি জয়নাব বেগম লিপি বলেন, শিক্ষক ছৈয়দ হোসের একজন চরিত্রহীন লোক। একজন প্রধান শিক্ষকের এধরনের কার্যকলাপ এলাকাবাসী জন্য দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেনা। এমন কি তিনি জাতীয় দিবসও মানেনা। ১৫ আগষ্ট আমি বিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেই চাত্রদের দিয়ে পতাকা তুলেছি। একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে তিনি লুঙ্গিপড়ে বিদ্যালয়ে আসেন। বিদ্যালয়ে এসে ছাত্রদের দিয়ে সিগারেট কিনে বিদ্যালয়ের অফিস রোমে বসে সিগেরেট আর পান খাইই।

এলাকাবাসী জানায় এই শিক্ষক অনেক মেয়ের শীলতাহানী করেছে। এলাকায় তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কিছু বলতে সাহস পায়না। যারা বলেন তাদের সন্তানদের বিদ্যালয় থেকে বহিস্কিত করেন।

প্রধান শিক্ষক ছৈয়দ হোছনের সাথে সরাসরি কথা বলতে গেলে দেখা য়ায় তিনি লুঙ্গিপড়ে বিদ্যালয়ে চেয়ারের উপর পা তুলে বসে আছেন। তার কাছে এলাকাবাসীর অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য চাইলে বলেন আমার কোন বক্তব্য নাই। আপনাদের যা বলার উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে গিয়ে বলেন। তার ছবি নিতে চাইলে কেমরা কেড়ে নেয়। তিনি বলেন এটা আমার দান করা জমি। আমি জমি দিয়েছি বলেই এলাকার ছেলেমেয়েরা পড়তে পারছে। আমার বিরুদ্ধে কিসের অভিযোগ ? তিনি অরো বলেন এলাকার ১০০০০ লোকের মধ্যে ৫০০ জন লোক অভিযোগ করলে আমার কিছু যায় আসেনা। অভিযোগ করতেই পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com