1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ : কার কথা কে বলে, কার শুনার কে শুনে?

  • Update Time : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪০ Time View

মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন : এখন দেশের শিল্প কলকারখানা, বেশিরভাগ সরকারী-বেসরকারী অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শপিংমল, হাট-বাজার, চার্জিং ব্যাটারী চালিত গাড়ি, আবাসিক হোটেল এবং রেস্টোরেন্টসহ বলতে গেলে সবকিছুই বন্ধ। ফলে আগের তুলনায় বিদ্যুতের ব্যবহার যে কম হচ্ছে তা বুঝতে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার দরকার নেই। কিন্তু প্রশ্ন হল, এমন-ই সময়ে আমাদের উখিয়ায় বিদ্যুতের এত ঘনঘন লোডশেডিং কেন? একবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে দীর্ঘসময় পর্যন্ত আর খবর থাকেনা! আগে সবকিছু খোলা ছিল বিধায় অবহেলিত জায়গা হিসেবে আমরা বিদ্যুৎ কম পেতাম, কিন্তু এখতো চাইলে দেওয়া যায়। আসলেই বুঝিনা, উখিয়াবাসীর সাথে কেন এমন করা হচ্ছে? লকডাউনে হাট-বাজার বন্ধ থাকায় অসংখ্য মানুষ মাছ, মাংস এবং তরিতরকারি ফ্রিজে মজুদ করে রেখেছিলেন। কিন্তু, পর্যাপ্ত সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সেসব নষ্ট হওয়ার পথে। তাছাড়া, এই অবরুদ্ধকালীন সময় উখিয়ার লোকাজন টিভি বা ফেসবুক থেকে করোনার আপডেট জানার সুযোগটাও পাচ্ছেনা।

কাল অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি উখিয়া‘র সভাপতি ও ডিবিডিনিউজ২৪ ডটকম এর নির্বাহী সম্পাদক Sharif Azad ডিজিএম, উখিয়ার কাছে এ প্রশ্নটি করায় ডিজিএম সাহেব নাকি প্রত্যুত্তরে জানতে চেয়েছিলেন, এসব ফালতু প্রশ্ন সে কেন করছে? বিদ্যুতের বিষয়ে জানতে চাওয়াটা কি ফালতু প্রশ্ন হয়ে গেল? লোকজন নিজের টাকায় বিদ্যুৎ চালায়, তাই পর্যান্ত সেবা না পেলেতো প্রশ্ন করবেই। তাই বলে একজন কর্মচারী হয়ে একজন সম্মানীত গ্রাহকের সাথে এধরনের বাজে ব্যবহার করতে হবে? এটা সার্ভিসের কোন নিয়মের মধ্যে পড়ে জানতে পারি কি? একজন উচ্চপদস্থ কর্মচারীর ব্যবহার যদি এমন হয়, তাহলে গ্রাহক কার কাছে তাঁদের অভিযোগ জানাবেন?

পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না পাওয়ার কারণে যার ক্ষতি হয় কেবল সে-ই বুঝেন বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা। ডিজিএমতো নিজ আবাসস্থলকে ভিআইপি লাইনের অন্তর্ভুক্ত রেখেছেন। তাই তিনি কি করে গ্রাহকের ক্ষতির দিক সম্পর্কে বুঝবেন? বিদ্যুৎ বিল হিসেবে আমাদের মত সাধারণ গ্রাহকরা যে টাকাটা পরিশোধ করি সেই টাকার গায়েতো লিখা থাকেনা যে, এটা ভিআইপি বা সাধারনের টাকা। তাহলে কেন ভিআইপি নাম দিয়ে এমন বৈষম্য?

জানি, বাংলাদেশের মত দেশে এসব প্রশ্নের কোন উত্তর নেই। কারণ, সাধারণ জনগণের অধিকার নিয়ে যারা কথা বলবেন বা কাজ করবেন সেসব জনপ্রতিনিধি এবং কর্তাবাবুদের নিরবচ্ছিন্ন সংযোগে রেখে তাঁদের মুখতো বন্ধ রাখা হয়েছে। তাই বিদ্যুৎ অফিসের কর্মচারীরাতো নির্ভয়ে সাধারণ গ্রাহকে ফালতু বলবেই।

মানে সম্মানীত গ্রাহকরা নিজের কষ্টার্জিত টাকায় বিদ্যুৎ ব্যবহার করে সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন করবে আর কর্মচারীরা তাঁদের ফালতু বলবে!

মচৎকার! ডিজিএম!

লেখক : বার্তা সম্পাদক, ডিবিডিনিউজ২৪ ডটকম ও ব্যাংকার।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com