1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

নতুন বছরকে স্বাগতম জানাতে কক্সবাজারে পর্যটকের ভিড়

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৩২ Time View

ডিবিডিনিউজ২৪ ডেস্ক :

পুরনো বছরের গ্লানি মুছে নতুন বছরকে স্বাগতম জানাতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নেমেছে। দেশি-বিদেশি পর্যটকে মুখরিত কক্সবাজারে এখন সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। মূলত ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে মার্চ মাস পর্যন্ত চলে পর্যটন মৌসুম। এই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আছে ভ্রমণ পিপাসুরা। প্রতিদিন গড়ে কয়েক লাখ পর্যটক রাত্রিযাপন করছে পর্যটন শহর কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেল-মোটেলগুলোতে।

এদিকে রাত পোহালে ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম প্রহর। এই উপলক্ষে আগে থেকে পর্যটকে ভরপুর কক্সবাজার। নতুন বছরের সঙ্গে যোগ হয়েছে কক্সবাজারে শিল্প ও বাণিজ্য মেলা ও বাংলাদেশের প্রথম মেরিন ফিস অ্যাকুরিয়াম ‘রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড’।

কক্সবাজারের পাশাপাশি পর্যটকরা জেলার অন্যান্য পর্যটন স্পটগুলোতেও ভিড় করছেন। পাথুরে ইনানী সৈকত, পাহাড়ি ঝরনা হিমছড়ি, মেরিন ড্রাইভ সড়ক, প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, রামু বৌদ্ধ মন্দির, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া দ্বীপ, চকরিয়ার বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, কুতুবদিয়ার সৌরবিদ্যুৎসহ জেলার পর্যটন স্পটগুলোতে উপচে পড়েছে পর্যটক।

এদিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হওয়ায় পর্যটকরা সাচ্ছেন্দে আনন্দ উপভোগ করতে পারছেন। কোথাও কোন অসুবিধা হচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন এই প্রতিবেদককে।

যদিও নতুন বছর উপলক্ষে কক্সবাজারে দৃশ্যমান কোনো আয়োজন নেই পর্যটন শহরে। তারপরও জড়ো হয়েছে দেশি-বিদেশি কয়েক লাখ পর্যটক। দেশের পর্যটন রাজধানী থেকে শেষ সূর্য দেখতে হাজার হাজার পর্যটক ইতিমধ্যে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবুল কাশেম সিকদার। তিনি আরও জানান, বিপুল সংখ্যক পর্যটক আগমনে পর্যটন ব্যবসায়ীরা অনেক খুশি। পর্যটকরা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। পাশাপাশি হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউজের পক্ষ থেকে পর্যটকদের জন্য নানামুখী পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম জানান, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সমুদ্র সৈকতসহ উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু ইনডোরে অনুষ্ঠানের অনুমতি রয়েছে। তাও রাত ৮ টা পর্যন্ত । থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপনে কোনো আতশবাজি, পটকা ফুটানো যাবেনা, কোন উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠানও করা যাবে না। পাশাপাশি রাত ১২টার পর উচ্চস্বরে কোন মাইক কিংবা সাউন্ড বাজানো যাবে না।

থাটি ফাস্ট নাইট ও বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ সুপার। তিনি বলেন- সোমবার সকাল থেকে জেলা পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা শুরু হয়েছে যা অব্যাহত থাকবে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com