1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

ডিসেম্বরে আকাশে দেখা যাবে চমক জাগানো বর্ণচ্ছটা

  • Update Time : শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৮৫ Time View

ডিবিডি ডেস্ক : করোনা মহামারির কারণে এ বছর বিশ্বের বহু মানুষের কাছে বছরটা খুব একটা সুবিধার হয়নি। কেটেছে উত্কণ্ঠা, বিপর্যয় এবং ক্ষতির মধ্য দিয়ে। কিন্তু বছরের শেষ প্রান্তে ডিসেম্বরেই গ্রহ-নক্ষত্রের জগত্ বিশ্ববাসীকে উপহার দিতে যাচ্ছে আকাশে চমক জাগানো বর্ণচ্ছটা। আকাশ পরিষ্কার থাকলে ডিসেম্বরেই পৃথিবীর যে কোনো জায়গা থেকে দেখা যাবে জেমিনিডস উল্কার বৃষ্টিপাত। আকাশের এই অভিনব দৃশ্য উপভোগ করা যাবে একেবারে খালি চোখেই। এছাড়া এই ডিসেম্বরেই মিলন ঘটবে বৃহস্পতি আর শনি গ্রহের!

বৃহস্পতি ও শনি গ্রহ সবচেয়ে কাছাকাছি এসেছিলে সর্বশেষ ৩৯৭ বছর আগে। গ্যালিলেই তার টেলিস্কোপ আবিষ্কার করার মাত্র অল্প কয়েক বছর পরে। কিন্তু এবার ঐ দুটি গ্রহই পুরো মিলে যেতে চলেছে। এটি একটি বিরল ঘটনা। এ বছরের ২১ ডিসেম্বর ঘটবে সেই মহামিলন। জ্যোতির্বিজ্ঞানী এড ব্লুমার বলেন, আকাশ পরিষ্কার থাকলে এদিন বৃহস্পতি ও শনি গ্রহকে সবচেয়ে সহজে দেখা যাবে।

এই গ্রহ দুটির মহাসম্মিলন বলতে বোঝানো হয়, যখন তারা একে অপরের একেবারে সামনা-সামনি আসে এবং দেখে মনে হয় গ্রহ দুইটি পুরো এক হয়ে গেছে। সম্মিলিতভাবে একক একটা গ্রহ হিসেবে আকাশে জ্বলজ্বল করছে। এড বলছেন, এই দুইটি ‘প্রদক্ষিণরত গ্রহ’ বৃহস্পতি ও শনি মহাকাশে এত কাছাকাছি আসবে যে মনে তারা যেন একে অপরকে স্পর্শ করে আছে। খালি চোখে দেখে মনে হবে দুইটি গ্রহের মধ্যে তফাত্ মাত্র ০.১ ডিগ্রিরও কম, অর্থাত্ তারা একই জায়গায় দাঁড়িয়ে। এটা মহাজগতে আমাদের দৃষ্টিপথের কেরামতি। বর্তমানে পৃথিবী ও বৃহস্পতির মধ্যে দূরত্ব ৮০ কোটি কিলোমিটারের বেশি। বৃহস্পতি ও শনির মধ্যেও দূরত্বও প্রায় একই রকম।

কিন্তু এই দুটি বিশাল গ্রহকে আমাদের রাতের আকাশে দেখা যায় একটু একটু করে পরস্পরের কাছে সরে আসতে, তারপর একটা সময় আমাদের দেখে মনে হয় তারা মিলে এক হয়ে গেছে। শনি ও বৃহস্পতি একই লাইনে চলে আসে প্রতি ১৯.৬ বছরে একবার। কিন্তু এবারের এই মিলন অতি বিরল ঘটনা, কারণ ২০২০ এর ডিসেম্বরে যা ঘটছে তার কাছাকাছি একটা মিলন এর আগে ঘটেছিল ১৭০০ শতাব্দীর গোড়ায়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানী প্যাট্রিশিয়া স্কেলটনের মতে, ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধূলিকণায় ভরা আস্তরণের মধ্য দিয়ে পৃথিবী যখন প্রদক্ষিণ করে তখনই সাধারণত উল্কা বৃষ্টি সংঘটিত হয়। কিন্তু জেমিনিডস উল্কার বৃষ্টিপাত একটু ভিন্ন ধরনের। জেমিনিডস উল্কার বৃষ্টি হয় যখন ৩২০০-ফিটন নামে একটি গ্রহাণুর ছেড়ে যাওয়া ধুলিকণার আস্তরের মধ্যে দিয়ে পৃথিবী যায়। অর্থাত্ প্রতি বছর আমাদের পৃথিবী নামের গ্রহটি যখন ধূমকেতুর ছেড়ে যাওয়া বর্জ্যের মধ্য দিয়ে তার কক্ষপথে ঘোরে তখনই আকাশে দেখা দেয় চোখ ধাঁধানো আলোর ছটা।—বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com