1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

কোনো অন্যায়-অবিচার সহ্য করবো না : প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৪১ Time View

ডিবিডিনিউজ২৪ ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবির সবগুলোই তো মেনে নিয়েছেন ভিসি। তারপরও নাকি তারা আন্দোলন করবে। কেন করবে জানি না। এরপর আন্দোলন করার কি যৌক্তিকতা থাকতে পারে? তিনি বলেন, আমাদের কথা একেবার স্পষ্ট, কোনো অন্যায়-অবিচার আমরা সহ্য করবো না। করি নাই, ভবিষ্যতেও করবো না।

শনিবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহিলা শ্রমিক লীগের জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটায়, তাদেরকে যখন পুরস্কৃত করা হয় বা যারা এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটায় তাদেরকে যখন রক্ষা করা হয় তখন সেই সমাজ থেকে এইগুলো দূর করা অত্যন্ত কঠিন কাজ হয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কিন্তু পিছিয়ে থাকিনি। কোন দল করে- সেটা না, খুনিকে খুনি হিসেবেই আমরা দেখি। অন্যায়কারীকে অন্যায়কারী হিসেবেই আমরা দেখি। অত্যাচারীকে অত্যাচারী হিসেবেই আমরা দেখেছি। খবরটা পাওয়ার সাথে সাথে আমি কারো আন্দোলনেরও অপেক্ষা করিনি, কারো নির্দেশেরও অপেক্ষা করিনি। সঙ্গে সঙ্গে আমি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছি- এদেরকে গ্রেফতার এবং ভিডিও ফুটেজ থেকে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করার। এই তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশ পড়লো বিপদে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই যে সাধারণ ছাত্ররা, যাদের ১০ দফা দাবি, সবই তো মেনে নিয়েছে ভিসি। তারপরও নাকি তারা আন্দোলন করবে। কেন করবে জানি না। এরপর আন্দোলন করার কী যৌক্তিকতা থাকতে পারে। কিন্তু এই ভিডিও ফুটেজ যখন সংগ্রহ করছে তখন তারা বাধা দিয়েছিল। কেন বাধা দিয়েছিল আমি জানি না।

তিনি বলেন, আমার কাছে পুলিশের আইজিপি ছুটে এলো- কী করবো? আমি বললাম, তারা কী চায়? বললেন, তারা কপি চায়। আমি বললাম, কপি করে তাদের দিয়ে দাও। তোমরা তাড়াতাড়ি ফুটেজটা নাও। ফুটেজটা নিলেই তো আমরা আসামি চিহ্নিত করতে পারবো, ধরতে পারব। কে গেছে, না গেছে- দেখতে পারব, ধরতে পারব। ৩-৪ ঘণ্টা সময় যদি নষ্ট না করতো তাহলে আরো আগেই সাথে সাথে ধরা পড়তে পারত। মনে হলো, আসামিদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হলো কি না। এটার জবাব ওই আন্দোলন যারা করেছে তারা বলতে পারবে, আমি বলতে পারব না। আমি কিন্তু এক মিনিটও দেরি করি নাই। খবর পাওয়ার সাথে সাথে আমি ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। এই ধরনের অন্যায় করলে কখনো এটা মেনে নেয়া যায় না।

তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল- জিয়াউর রহমান খালেদা জিয়া থেকে শুরু করে এরশাদের আমলে, সব সময় ছিল একটা অস্ত্রের ঝনঝনানি। মেধাবী ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়া হয়েছিল। আমি শুধু জিজ্ঞেস করতে চাই- এত ছাত্র হত্যা হয়েছে, কয়টার বিচার কে করেছে? সেই ’৭৪ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে করেছে। আর যখনই আমরা ক্ষমতায় এসেছি তখনই আমরা সাথে সাথে বিচার করেছি। এর বাইরে কেউ আজ পর্যন্ত বলতে পারবে- কোনো বিচার হয়েছে?বুয়েট ছাত্রী সাবিকুন নাহার সনি হত্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন কে প্রতিবাদ করল? তখন তো আমাদের বুয়েটের যে অ্যালাইমনাই অ্যাসোসিয়েশন তাদেরকে তো নামতে দেখিনি। প্রতিবাদ করতে দেখিনি তাদের, তখন তারা কথা বলেনি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে সবার কথা বলার অধিকার আছে। বলতে পারে, অন্তত এই সুযোগটা আছে।

শেখ হাসিনা প্রশ্ন রেখে বলেন, যখন জিয়াউর রহমান ক্ষমতায়, জাতির পিতার খুনিদের যে পুরস্কৃত করলো। যুদ্ধাপরাধীদের যারা ছেড়ে দিল। সাত খুনের আসামিকে যারা নেতা বানালো, কে কে তখন প্রতিবাদ করেছে? তখন মানবাধিকারের চিন্তা কোথায় ছিল? তখন ন্যায়-নীতি বোধ কোথায় ছিল? তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com