1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের স্ট্যাটার্সে তোলপাড়

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৩৪ Time View

আমার মনের কথা- যা সারাদেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও অনেক ইউনিট প্রধানদের সাথে মিলে যেতে পারে- ইচ্ছে ছিলো কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর সংগঠনকে গতিশীল করতে প্রতিটি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও থানা কমিটি গুলোতে নিজে গিয়ে সম্মেলন করবো কিন্তু একার পক্ষে তো সম্ভব নয়। আমার আগ্রহ অন্য কারো ব্যস্ততা এটি নিয়ে তো আর পথচলা সম্ভব নয়। নানা বাধা বিপত্তি নানান জটিলতা নানান সমীকরণ। আমি দায়িত্ব গ্রহনের পরপরই মাতামুহুরি সাংগঠনিক থানা ছাত্রলীগের সম্মেলন করেছি সফলতার সাথে। এবং বেশ কিছু ইউনিট দীর্ঘ যুগ ধরে অচল অবস্থা থাকা কমিটি গুলোকে সকল সমস্যা নিরসন করে গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গুলো প্রদান করেছি। যা অতীত নেতৃত্ব পারে নি। বর্তমান সময়ে সময়ের প্রয়োজনে দেশরত্ন শেখ হাসিনার চলমান শুদ্ধি অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে সংগঠনকে গতিশীল করতে কোন ইউনিটকে সম্মেলন করতে বললে তারা মনে করে আমরা তাদের সব চেয়ে বেশি ক্ষতি চাইছি। যেন আমরা তাদের চিরশত্রু। আর সেই কারনে কেন্দ্রে গিয়ে তারা অনেকে আবার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও সুযোগ সন্ধানী কারো কিছু অসাধু নেতা আছে যাদের কাছে গিয়ে মিথ্যা অজুহাত দেখায়, নানান বাহানা, আমাদের বিরুদ্ধে নানান সমালোচনা আলোচনা করে আসে।যা খুব লজ্জা জনক। যার সুযোগ আমাদের উপর কালো থাবার প্রভাব ফেলতে চেষ্টা করে যায়। অনেকে কেন্দ্রে বসে জেলার রাজনীতিকে নোংরা করতে চাই, চাই অনৈতিক সুযোগ সুবিধা নিয়ে মিথ্যা ব্লেইম দিতে। হয়ে যায় ওল্টো জেলা কমিঠি মেয়াদোত্তীর্ণ অবৈধ কমিঠি, জামাত বিএনপি, অকেজো এন তেন বলে নানান কথাবার্তা। আমার বা আমাদের জেলায়, উপজেলায়, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে কে কি? কে কি রকম? কে ভাল? কে খারাপ? কে মন্দ, না কে রাজপথে সক্রিয় না নিস্ক্রিয় আমি জানবো না অন্য কেউ জানবে? কোন নেতা চাই না তার সৃষ্টি কোন কর্মীকে অবমূল্যায়ন করতে। সবাই দিন শেষে চাই নেতা হতে আর নেতারাও চাই ভাল কর্মী, নিরাপদ কর্মীকে মূল্যায়ন করতে।মনে রাখতে হবে এই সংগঠনে সবাই একসাথে নেতা হওয়ার সুযোগ নেই। পর্যায়ক্রমে আসতে হয় নেতৃত্বে।রাতারাতি নেতৃত্বে আসারও সুযোগ নেই। ভাবতে অবাক লাগে সব চেয়ে মজার বিষয় হলো আমরা যাদের সংগঠনে নেতা বানায় তারাও এক সময় হিসেবে একটু গড়মিল হলে নানান মুখী ষড়যন্ত্রে করতে ব্যস্ত হয়ে যায়।কিছু অসাধু কর্মী আছে রাজনীতিতে যারা পদ দিলে ভাল না দিলে খারাপ। সব সময় পাওয়ার হিসেবে থাকে। তারা কখন স্বার্থের কারনে ভাই ডাকে আবার কখন মা-বাবা ধরে গালি গালাজ করে বুঝা বড় মুশকিল। আসলে ক্ষমতা এতোটা খারাপ জিনিস। ক্ষমতার জন্য অনেক অতীত ভুলে যায়। যখন ১/১১ আর যখন বিরোধী দলে আমরা, তখন রাজপথে কোন বিনিময় ছাড়া আমরা খেয়ে না খেয়ে পুলিশের মার খেয়েছি, জেলে গিয়েছি অনেকটা সময়। তখন রাজপথ খুব সাদামাটা ছিল। আজকের মতো রাজপথ এতোটা স্বার্থপর ছিলো না, ছিলো না কর্মী বৃন্দও। আর আজ দল ক্ষমতায় এসেছে ০৮ থেকে ঠিক এর পর থেকে যারা রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছে বেশির ভাগ তাদের ত্যাগ বর্তমান সময়ে খুব বেশি বলা যায়। বর্তমান সময়ে সহজে তাদের কিছু বলা যায় না কারন তাদের ত্যাগ বেশি। বললে তারা চোখ রাঙিয়ে চাই, কিছু বললে ওরা মিনিটে মিনিটে উল্টো আমাদের পদ হারানোর ভয় দেখায়…… হাসি পায় তাদের এই সমস্ত বিপর্যস্ত মানসিক কর্মকান্ড দেখে। আমি বা আমরা পদ নিয়ে কখনো আত্ন কেন্দ্রিক বা ক্ষমতার অহংকার বা স্বজনপ্রীতি রাজনীতি করি নি।কারন পদ ছাড়া রাজনীতি করেছি দীর্ঘ সময়।পদ থাকলে যেমন না থাকলেও তেমন ভাবে চলাফেরা করেছি। ক্ষমতার অপব্যবহার করি নি।কারন এটা আমার পদ নয় এটা বঙ্গবন্ধু আর দেশরত্ন শেখ হাসিনার পদ। এটি বাহক এর মতো শুধু ক্ষনিকের জন্য দায়িত্ব পালন করছি। আজ আমার কাল আরেকজনের। আজ আছে কাল নেই। পদ ধরে রাখার পক্ষে আমি কখনো সমথর্ন করি না। আমি নৃত্য নতুন সৃজনশীল রাজনীতি চর্চা করি। দেশরত্ন শেখ হাসিনা যা একটি মঞ্চ তৈরি করে বুঝিয়ে দিয়েছে। অচিরেই শুধু মাত্র ছাত্রলীগের কেন্দ্র সম্মেলন ছাড়া অন্য সব সংগঠনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত করে অনেক কিছু আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছেন। এখান থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। পদ পদবি রাজনীতির কখনো প্রধানতম হাতিয়ার হতে পারে না। একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠনে একজন কর্মী হয়েও রাজনীতি করা অনেকটা গৌরবের। বঙ্গবন্ধু দীর্ঘ সময় পদ-পদবি ছাড়া রাজনীতি করেছেন নিশ্চয়ই আমরা তার উর্ধে নয়। এখনকার সময় কেউ পদ-পদবি ছাড়া রাজনীতি করতে পারে না। রাজনীতি করতে নাকি পদ অবশ্যই প্রয়োজন। আমি তার সম্পূর্ণ বিপরীত। আমরা পদ ছাড়া রাজনীতি করেছি। দীর্ঘদিন রাজপথে স্লোগান দেওয়ার পর সংগঠনকে গতিশীল করার জন্য শুধুমাত্র নৈতিক ভাবে আমার উপর বা আমাদের উপর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। মনে রাখবেন আপনি যখন পদ পদ বলে খুজবেন তখন পদ আপনাকে ধরা দিবে না, কিন্তু যখন আপনি পদ খুজবেন না ঠিক তখন পদ আপনার কাছে ধরা দিবে এটাই চরম বাস্তবতা। আমাকে যদি আমার নীতি নির্ধারকেরা বলে আজকে পদ ছাড়তে হবে আমি এক মিনিটও দেরি করবো না। প্রখ্যাত রাষ্ট্র বিজ্ঞানের জনক এরিস্টটল বলেছেন- যে জনগণের সর্বোচ্চ সেবা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলো একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির ধর্ম। ঠিক আমিও তাই মনে করি। রাজনীতিতে পাওয়া না পাওয়া বা চাওয়া পাওয়ার কোন বিষয় নয়। মানব সেবা ও দেশের জন্য কিছু করা হলো আমাদের কর্তব্য। রাজনীতি একদিনের নয়। রাজনীতি হলো ক্রিকেট খেলার মতো আপনি যতোক্ষণ ক্রিজে থাকবেন ততোক্ষণ রান আসবেই। ভুল হলে নির্দ্বিধায় ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি প্রত্যাশা করছি। সকলে ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আবেগের জায়গা থেকে তৃণমূলের কর্মী -মোরশেদ হোসাইন তানিম

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com