1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

কক্সবাজার চলছে মাইকিং, পথসভা ও গণসংযোগ

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৯
  • ৬৩ Time View

।।বিশেষ প্রতিবেদক।।

৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল আলোচিত কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। আগামীকাল শেষ হচ্ছে প্রার্থীদের প্রচারণার কাজ। ইতোমধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে নির্বাচনী এলাকা। ঘুম নেই প্রার্থী কিংবা সমর্থকদের। যাচ্ছে ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে। ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী এলাকা। চলছে মাইকিং, পথসভা ও গণসংযোগ।

কক্সবাজার সদরের নির্বাচনের মাধ্যমে শেষ হচ্ছে জেলার ৭ টি উপজেলার নির্বাচন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় আপাততঃ কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাচন হচ্ছে না। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া ৬টি উপজেলায় ভোটারদের উপস্থিতি তেমন না হলেও ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হয়েছে।

কক্সবাজার সদরের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে তিন প্রার্থীর মধ্যে। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের কায়সারুল হক জুয়েল, স্বতন্ত্র সেলিম আকবর ও নুরুল আবছার।

গত তিনদিনে মাঠ জরিপে দেখা গেছে, ডাকঢোল পিটিয়ে প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী কায়সারুল হক জুয়েল। তার পক্ষে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে দলের শীর্ষস্থানীয়রাও। নৌকার বিজয়ের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
কোন দলের সমর্থন না নিলেও বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকার সন্তান বিবেচনায় ভোটের হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন আনারস প্রতীকের সেলিম আকবর। ইতোমধ্যে বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকার ৬ টি ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ ‘ঘরের ছেলে’ হিসেবে সেলিম আকবরকে বেছে নিয়েছে। দল-মত নির্বিশেষে কাজ করছে তার জন্য। এমনটি জানিয়েছে স্থানীয় ভোটাররা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈদগাহ হাইস্কুল মাঠে সেলিম আকবরের নির্বাচনী সভায় তার প্রমাণ হয়। সেলিম আকবরের নির্বাচনী পথসভা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে জনসমুদ্রে রূপ লাভ করে। কানায় কানায় ভর্তি হয়ে যায় স্কুল মাঠ। সমাবেশস্থল পেরিয়ে সড়ক উপসড়কে জনতার বাঁধভাঙ্গা স্রোত। আনারস প্রতীকের পক্ষে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো নির্বাচনী এলাকা। হাজারো জনতার উদ্দেশ্যে আবেগাপ্লুত ভাষায় বক্তৃতা করেন জনগণের প্রার্থী সেলিম আকবর।

সমাবেশে মধ্যম পোকখালী থেকে আসা আব্দুর রশিদ জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রতীক, পদবী প্রাধান্য পাবার কোন যৌক্তিকতা নাই। এখানে যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও আঞ্চলিকতা বেশি বিবেচ্চ। আজকে আনারস প্রতীকের পক্ষে জনসমুদ্র সেটি প্রমাণ করে।
সমাবেশে যোগ দিতে আসা ইসলামপুরের আব্দুল মালেক জানিয়েছেন, বৃহত্তর ঈদগাঁওবাসী আনারস প্রতীকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গেছে। জনগণ সঠিকভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে ৩১ মার্চ প্রমাণ মিলবে।

ইসলামাবাদের বোয়ালখালীর সত্তরোর্ধ বয়সী সফর অালীর অভিমত, তারা কোন সময় এলাকার বাইরে ভোট দেয়নি। এবারও দেবে না।
এদিকে, চেয়ারম্যান পদে আলোচিত প্রার্থী সেলিম আকবর (আনারস) নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারদের মাঝে সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি সকাল থেকে রাত অবধি চালিয়ে যাচ্ছেন গণসংযোগ, মতবিনিময়, পথসভা ইত্যাদি প্রচার কাজ। আনারস প্রতীকের প্রচারণায় মুখরিত গ্রামগঞ্জ। যেখানে যায় সেখানে শুধু আনারস মার্কার জয়ধ্বনি। সালাম, কুশল বিনিময়ে ভোটারদের জাগিয়ে তুলেছে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেলিম আকবর।
শুধু আশার বাণীতে সীমাবদ্ধ নয়, আনারস মার্কাকে নির্বাচিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে ভোটাররা।
সাধারণ পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা সেলিম আকবরের অসাধারণ নির্বাচনী কৌশল আকৃষ্ট করছে ভোটারদের। যেখানে যাচ্ছেন প্রচুর সাড়া মিলছে। তার সাথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দিচ্ছে শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষ।

জনতার উদ্দেশ্যে সেলিম আকবর বলেছেন, আমি উচ্চ পরিবারের কেউ নই, সাধারণ মানুষের ছেলে। গরীব অসহায় মানুষের মাঝেই আমার বেড়ে ওঠা। সাধারণ মানুষের চাহিদা কি? তা আমার কাছে স্পষ্ট। নিজের জন্য নয়, মানুষের জন্য নির্বাচন করছি। নির্বাচিত হয়ে মানুষের জন্য কাজ করবো। নেতা নয়, সেবক হিসেবে বেঁচে থাকতে চাই আজীবন। আপনাদের মূল্যবান একটি ভোট আমাকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ এনে দিবে।
সেলিম আকবর বলেন, আমি কোন রাজনৈতিক দলের নই, আমি সব মানুষের প্রার্থী। আমার কাছে কোন দল মত পার্থক্য নেই। সবার হয়ে আমি কাজ করবো। বিগত চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলাম। আপনারা আমাকে প্রচুর ভোট দিয়ে মূল্যায়ন করেছিলেন। তবে নির্বাচিত হতে পারিনি। আপনাদের ভোটের মূল্যায়ন করার সুযোগ হয়নি। তবু জনগণকে ছেড়ে যায়নি।

ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নের স্বার্থে ৩১ মার্চ আনারস প্রতীকে আপনাদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছি। এসময় স্বতঃস্ফূর্ত জনতা হাত তুলে সেলিম আকবরকে সমর্থন জানায়।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, এ উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪৪ জন। মোট ১০৮টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ কক্ষ রয়েছে ৬৪৮টি।

সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার শিমুল শর্মা জানিয়েছেন, প্রতিটি কক্ষে ইভিএম ব্যালট ইউনিট থাকবে তিনটি করে। আর কন্ট্রোল ইউনিট থাকবে ৬৪৮টি। এ ছাড়া কোনো ইউনিটে টেকনিক্যাল ত্রুটি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে রিপ্লেস করার জন্য অতিরিক্ত ১০০টি ব্যালট ইউনিট মজুত রাখা হবে। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com