1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

কক্সবাজার এখন পর্যটকের শহর

  • Update Time : বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৯
  • ২৪ Time View

সুজাউদ্দিন রুবেল

ঈদুল আজহা’র টানা ছুটিতে সৈকত শহর কক্সবাজার এখন পর্যটকে ঠাঁসা। ভ্রমণে আসা পর্যটকদের আনন্দ আর হৈ-হুল্লোড়ে মাতোয়ারা সাগর তীর। পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন লাইফ গার্ড, বিচ কর্মী ও পুলিশ। আর পর্যটকদের হয়রানি রোধে সৈকতে ৬ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োজিত রয়েছেন বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট। ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় কানায় কানায় পূর্ণ সাগর তীরের এই পয়েন্টটি। শুধু সুগন্ধা পয়েন্ট নয়, সমুদ্র সৈকতের বাকি ৬টি পয়েন্টেরও একই অবস্থা। দেশের নানা প্রান্ত থেকে ঘুরতে আসা হাজার হাজার পর্যটকে এখন মাতোয়ারা সাগর তীর। সমুদ্র সৈকতে স্নান, বালিয়াড়িতে ঘুরে বেড়ানো, ছবি তোলা, বিচ বাইক ও জেড স্কিতে কাটছে তাদের আনন্দঘন মুহুর্তগুলো। ঢাকার মিরপুর থেকে আসা পর্যটক জেসমিন সুলতানা বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত হচ্ছে কক্সবাজার। এই সৈকতটা আমাদের বড় সম্পদ। তাই ঈদের টানা ছুটিতে দেশের বাইরে না গিয়ে নিজ দেশের সবচে সুন্দর এই সৈকতটা দেখতে ছুটে এলাম। সিলেট থেকে আসা দুই বন্ধু সিয়াম ও হাসিব বলেন, সিলেটের যেসব পর্যটন স্পট রয়েছে তা সব দেখা হয়েছে। তাই এবার কক্সবাজার দেখতে চলে এলাম। এখন সৈকতে গোসল করছি; কিছুক্ষণ পর ইনানী ও হিমছড়ি পর্যটন স্পট দেখতে যাবো।

রাজিয়া আহমেদ নামে আরেক পর্যটক বলেন, ঈদের ছুটি মানেই পর্যটন নগরী কক্সবাজার ছুটে আসা। এবারও তার ব্যতিক্রম করেনি। পরিবারের সব সদস্যকে নিয়ে কক্সবাজার সৈকতে খুব মজা হচ্ছে। বিশেষ করে আমার ছোট বাচ্চাটা খুব মজা পাচ্ছে। ঈদের টানা ছুটিতে লাখো পর্যটকের সমাগম ঘটায় তাদের সমুদ্র স্নানে নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক সতর্কতামূলক মাইকিং করছে বিচ ও লাইফ গার্ড কর্মীরা। তবে সমুদ্র স্নানের ক্ষেত্রে পর্যটকদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে জানালেন জেলা প্রশাসনের পর্যটন ও প্রটৌকল সেলের দায়িত্ব থাকা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাখন চন্দ্র সূত্রধর। তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে বিপুল সংখ্যক পর্যটক কক্সবাজার আসবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু এখন বর্ষা মৌসুমে সাগর যেহেতু উত্তাল এবং ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত অব্যাহত রয়েছে; সেহেতু পর্যটকদের সমুদ্রস্নানে সচেতন হওয়া বেশি প্রয়োজন। তারপরও প্রশাসন চেষ্টা করছে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়ার।

এদিকে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন জানান, ট্যুরিস্ট পুলিশের সাথে সমন্বয় করে পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণে সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সৈকত এলাকা, হোটেল মোটেল জোনের পাশাপাশি পর্যটন স্পট হিমছড়ি, দরিয়ানগর ও পাথুরে সৈকতে ইনানীতেও পোষাকে পুলিশ ও সাদা পোষাকে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। এতে পর্যটকরা ঈদের ছুটি কক্সবাজারে স্বাচ্ছন্দে কাটাতে পারবে বলে আশা করছি। জেলা প্রশাসনের দেয়া তথ্য মতে, ঈদুল আজহা’র টানা ছুটিতে গত দু’দিনে ৩ লক্ষাধিক পর্যটক কক্সবাজারে ভ্রমণে এসেছে। আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ৭ লাখ পর্যটকের সমাগম হবে বলে ধারণা করছেন পর্যটক সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com