1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

উখিয়ায় মন্দির হামলার নামে মিথ্যা মামলায় নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা হয়েছে : চেয়ারম্যান শাহ আলম

  • Update Time : শনিবার, ২০ মার্চ, ২০২১
  • ৮০৭ Time View

বিশেষ প্রতিবেদক : কক্সবাজারের উখিয়ায় বৌদ্ধ মন্দিরে হামলার তেমন কোন ঘটনা ঘটেনি বলে বিরুপ মন্তব্য দিয়েছেন হলদিয়া পালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ আলম। তিনি বলেছেন বৌদ্ধমন্দিরে হামলার ঘটনা মিথ্যা। বৌদ্ধ মন্দিরে নাটক সাজিয়ে নিরিহ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে।

২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কোরআন অবমাননা করে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের রামুর ১২টি বৌদ্ধমন্দিরে আগুন দেয়া হয়৷ হামলা করা হয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘরেও৷ এর সূত্র ধরে ৩০ সেপ্টেম্বর উখিয়ায় ৭টি বৌদ্ধ বিহার হামলা চালিয়েছিল কিছু উশৃংখল জনতা। এ ঘটনায় উখিয়া থানায় ৭টি মামলাও হয়েছিলো।

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলমের ছোট ভাই উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ সভাপতি ও হলদিয়াপালং ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ আলম গত ১৬ মার্চ আসন্ন নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতি সভায় বৌদ্ধ মন্দিরে হামলার ঘটনা নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করেন। শাহ আলম চেয়ারম্যানের বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

এ বিষয়ে মরিচ্যা দীপাংক্ষুর বৌদ্ধ যুব কল্যাণ ট্রাস্টের সাধারন সম্পাদক কনক বড়ুয়া বলেন, উখিয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমাদের দীপাংক্ষুর বৌদ্ধ বিহার। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ পবিত্র গ্রন্থ ত্রিপিঠক। শুধু বিহার নয়, ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল ওই এলাকার বেশ কিছু বড়ুয়া পরিবার।

ভাইরাল হওয়া ভিডিও প্রসঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মেধু বড়ুয়া জানান, পশ্চিম মরিচ্যা দীপাংক্ষুর বৌদ্ধ বিহার, রাজাপালং জাদি বিহার, খয়রাতি প্রজ্ঞামিত্র বন বিহার, পশ্চিমরত্না শাসনতীর্থ সুদর্শন বিহার, উত্তর বড়বিল ধর্মপাল বিহারসহ ৭ টি বৌদ্ধ বিহার অগ্নিকাণ্ডে ভস্মিভূত ও হামলার স্বীকার হয়েছিল। যে কারনে সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার স্বার্থে উখিয়ার ক্ষতিগ্রস্থ সব বৌদ্ধ বিহার পূর্ণনির্মাণ ও সংস্কার করে দেন। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী উখিয়া সফরে এসে এসব বৌদ্ধ বিহারের পলক উন্মোচন করেন। যারা এ ধরনের ঘটনা হয়নি বলে মিথ্যাচার করছে তারা সরকারের ভাবমুর্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টে ইচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে কাজ করছে বলে মনে করছি। এসব মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মিন্টু বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশে বৌদ্ধ মন্দির হামলা একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি বলে যারা মিথ্যাচার করছে তারা কখনো দল ও দেশের জন্য নিরাপদ নয়।

একই প্রসঙ্গে উখিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, উখিয়ায় বৌদ্ধ বিহার হামলার ঘটনাটি পুরো বিশ্ববাসী জানে। যারা উখিয়ায় বৌদ্ধ বিহারে হামলার ঘটনা ঘটেনি ও শত শত মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা সরকার ও আওয়ামীলীগের ভাবমুর্তি নষ্ট করার পায়তারা চালাচ্ছে। পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com