1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

এবার অধ্যক্ষ শাহ আলমের বিরুদ্ধে মন্দিরের জায়গা দখলের অভিযোগ

  • Update Time : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০
  • ৯২১ Time View

ডিবিডি রিপোর্ট : কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ আলমের বিরুদ্ধে মন্দিরের জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে। দখলকারী ব্যক্তি ক্ষমতার ধর হওয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বী লোকজন ভয়ে ও আতংকে মুখ খুলতে পারছে না। যার ফলে বিগত ১৬ বছরেও মিলেনি সমাধান।

সূত্রে জানা যায়, ১১৬৯ কবলামূলে উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের রুমখাঁপালংয়ের মৃত শশী কুমার বায় চৌধুরীর ছেলে ধীরেন্দ্র বিজয় রায় চৌধুরী ১৯৯৬ সালের ১৫ অক্টোবর রত্নাপালং মৌজার আরএস জরিপের ১৩৬০ খতিয়ানের ৪৯ ও ৯৯ দাগের বিএস ১৩৬৫ খতিয়ানের বিএস ৪৯ ও ৯৮ দাগে ৫৪ সমস্ত তিন ভাগের দুই শতক জমি রুমখাঁ বাজার হরি ওঁ ধ্যান মন্দিরে দান করেন। এরপর দীর্ঘদিন যাবৎ মন্দির উক্ত জমি ভোগ দখল থাকা অবস্থায় দাতা ধীরন্দ্র বিজয় রায় চৌধুরীর মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর উখিয়ার হলদিয়াপালংয়ের মৃত ছৈয়দ হোছাইন মাস্টারের ছেলে ও হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ আলম ২০০৪ সালের ১৪ জুলাই তারিখের ১০১৭ নং কবলা সৃজন করে ধীরন্দ্র বিজয় রায় চৌধুরীর ছেলে বিকাশ রায় চৌধুরীর কাছ থেকে মন্দিরে দান কৃত জমিটি খরিদ করার নামে জোর পূর্বক দখল করে।

স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ধর্মীয় উপাসনালয়ের জায়গাটি অধ্যক্ষ শাহ আলম ক্ষমতার অপব্যবহার করে দখল করে নিয়েছেন। ধীরেন্দ্র বিজয় রায় চৌধুরীর দান কৃত জমি ৯৬ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত রুমখাঁ বাজার হরি ওঁ ধ্যান মন্দির ভোগ দখল করেছে। ধীরেন্দ বিজয় রায় চৌধুরীর দানকৃত জমি তার মৃত্যুর পর তার ছেলে কিভাবে বিক্রি করে এবং কিভাবে অন্যরা ক্রয় করে আমাদের বোধগম্য নই। দখলকারীর এক আত্বীয় সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হওয়ায় ও আমরা সংখ্যালুঘু হওয়ায় এতদিন প্রতিকারের জন্য কিছু করতে না পারলেও এখন আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

উখিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি সাধারণ এডভোকেট রবিন্দ্র দাশ রবি বলেন, হলদিয়াপালংয়ের রুমখাঁ বাজার পাড়াস্থ হরি ওঁ মন্দিরকে ধীরেন্দ্র বিজয় রায় চৌধুরীর কর্তৃক দানকৃত একটি জায়গা স্থানীয় প্রভাবশালীরা দখল করে নেওয়ার বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছি। তবে কাগজপত্র দেখতে পারলে সুনিদিষ্ট করে বলতে পারতাম। হয়তো নানা সীমাবন্ধতার কারণে মন্দির কর্তৃপক্ষও বিষয়টিকে এতদিন গুরুত্ব দেয়নি। শুধু মন্দির নয় কোন ধর্মীয় উপাসনালয়ের জমি দখলকে সমর্থন করি না।

মন্দিরের দেখা শোনার দায়িত্বে নিয়োজিত মিলন রায় চৌধুরী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধীরেন্দ্র বিজয় রায় চৌধুরী মন্দিরকে যে জায়গাটি ৯৬ সালে দান করে দখল স্বত্ত্ব বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, সেই জমিটি ধীরেন্দ্র বিজয় রায় চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার ছেলে বিকাশ রায় চৌধুরীর কাছ থেকে খরিদ করার নামে কাগজ সৃজন করে জবর দখল করেছেন। তারা ক্ষমতাধর হওয়া এতদিন আমরা কিছু করতে পারিনি। এখন ন্যায় বিচারের জন্য আদালতে যাবো।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ আলম চৌধুরী কাছে জানতে চাইলে তিনি মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রুমখাঁ বাজারে কোন মন্দিরের অস্থিত্ব আছে বলে আমার জানা নেই।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ব্যাপারে আমি অবগত না। খোঁজ খবর নিয়ে জানানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com