1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

উখিয়া-টেকনাফে দুটি পিসিআর ল্যাব স্থাপনের চেষ্টা চলছে : হেলালুদ্দীন

  • Update Time : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০
  • ৬২ Time View

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, কক্সবাজার জেলায় আরও দুটি পিসিআর ল্যাব স্থাপনের চেষ্টা চলছে। জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এবং ডাব্লিউএইচও’কে আমরা অনুরোধ করেছি উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয় বাসিন্দা এবং রোহিঙ্গাদের জন্য যাতে একটা পিসিআর ল্যাব করা হয়।

এছাড়াও চকরিয়া মেমোরিয়াল খ্রিষ্টান হাসপাতালেও যাতে একটি পিসিআর ল্যাব করা যায় সে ব্যাপারেও আমরা চেষ্টা করছি। যেখানে স্থানীয়দের পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোকজনও সহজে করোনা পরিক্ষা করতে পারবে।

শুক্রবার বিকেলে কক্সবাজার শহরে ‘কক্স হেলথ কেয়ার হসপিটাল’ এর ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে তিনি হাসপাতালের ভিত্তি ফলক উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানে সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘এ দুটো পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা গেলে কুতুবদিয়া, মহেশখালী, চকরিয়া,বান্দরবানের লামা, আলীকদম, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া এই সমস্ত এলাকার লোক এখানে পরীক্ষা করতে পারবে। আমরা দ্রুত জানতে পারবো কে কোভিড, আর কে নন কোভিড। সেই অনুসারে আমরা চিকিৎসা নিতে পারবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘ কক্সবাাজার এখন করোনার হটস্পট। ঢাকার পরে চট্টগ্রাম, নারায়নগঞ্জ। এরপরেই কক্সবাজার। আমরা কক্সবাজারের মানুষকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মানুষকে বাঁচাতে হবে। কক্সবাজারে আজ পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ৪০ জন। নিয়ন্ত্রন করতে না পারলে এই সংখ্যা বাড়তেই থাকবে। মানুষ এখন লকডাউন মানছে না, স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। তাহলে লকডাউন যাবে কি করে? এটা মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়। সুতরাং মানুষকে মাস্ক পড়তে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারে প্রথম দিকে কিছুই ছিলনা। কক্সবাজার হাসপাতাল এখন অনেক উন্নত হয়েছে। আইসিইউ হয়েছে, এইচডিইউ হয়েছে। যা দেশের অন্য হাসপাতালে নেই। জেলা প্রশাসন আইসোলেশন সেন্টার করেছেন। আমরা ৪ টা হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা পেয়েছি। এখানে দুটি পিসিআর মেশিন আছে। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে চিকিৎসা ব্যবস্থায় বর্তমানে কক্সবাজারের যে অবস্থান তাতে প্রত্যেকটা মানুষ আশা রাখতে পারবে।

রংপুর বিভাগে মাত্র একটি পিসিআর মেশিন আছে। রিপোর্ট পেতে ৮/১০ দিন সময় লাগে। রাজশাহী বিভাগে মাত্র দুটি পিসিআর মেশিন আছে। বরিশালে মাত্র একটা আছে। সেই তুলনায় কক্সবাজার জেলা অনেক ভালো অবস্থানে আছে। অন্তত:পক্ষে মানুষ পরীক্ষা করাতে পারছে। ২/৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট পাচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেন, কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান। এছাড়া কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আশরাফুল আফসার, পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক, কাউন্সিলর সালাউদ্দিন সেতু, ইয়াসমিন আক্তার, সাহাবুদ্দিন সিকদারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com