1. azadzashim@gmail.com : বিডিবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম :
  2. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০১৯
  • ৩২ Time View

।।নিজস্ব প্রতিবেদক।।

কক্সবাজার এখন পর্যটক শূন্য।  কোথাও নেই হৈ হুল্লোড়, নেই শোরগোল।  তবে ঈদের টানা ছুটিতে প্রতিবছরের মত এবারও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হতে যাচ্ছে পর্যটন নগরী কক্সবাজার।  ইতোমধ্যে ৫ শতাধিক আবাসিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের ৮০ ভাগ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে।  এদিকে আগত দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশসহ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যটকদের ভ্রমণস্থান সমুদ্র সৈকত, দরিয়ানগর, হিমছড়ি, ইনানী বিচ, সেন্টমার্টিন, সোনাদিয়া ও ডুলাহাজরা সাফারি পার্কসহ বিভিন্ন স্পট নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছে।

এদিকে বেড়াতে আসা পর্যটকদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত ৫ শতাধিক আবাসিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট।  ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ ভাগ আবাসিক হোটেল রুম অগ্রিম বুকিং দিয়েছে পর্যটকেরা।  বিশেষ করে ৭-১০ জুনের ছুটিতে প্রায় ৩ লাখ পর্যটক কক্সবাজারে বেড়াতে আসবেন বলে ধারণা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

‘হোটেল সী গাল’-এর ম্যানেজার জনান, পর্যটক বরণে তারা প্রস্তুত।  ঈদ উপলক্ষ্যে রুম বুকিংয়ে বিশেষ ডিসকাউন্ট রয়েছে। ইতোমধ্যে তাদের বেশিরভাগ রুম বুকিং হয়ে গেছে।  প্রতিবছরের মত এবারও তাদের মূল লক্ষ্য হলো বেড়াতে আসা পর্যটকদের উপযুক্ত সেবা প্রদান করা।

এদিকে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, ছুটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণের পাশাপাশি অতিরিক্ত হোটেল ভাড়া বন্ধ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে থাকবে।

সুগন্ধ্যা পয়েন্টের ঝিনুক ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জানান, বেশ কিছুদিন ধরে তাদের কোনো ব্যবসা হয়নি।  তবে ঈদের মৌসুমে ভালো ব্যবসা হবে।  সেই আশায় তারা মালামালও তুলেছে।

ক্রেপ রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার জানান, ইফতার আর সেহেরী ছাড়া এখন তাদের কোনো ব্যবসা নেই বললেই চলে।  তবে ঈদের ছুটিতে তাদের ভালো ব্যবসা হবে।  আগত পর্যটকদের জন্য ক্রেপসহ বিভিন্ন সী-ফুডের নতুন আয়োজন থাকছে।

কক্সবজার কটেজ মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কাজী রাসেল আহম্মদ নোবেল জানান, বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোটেল-মোটেল জোন সিসিটিভি ক্যামরার আওতায় আনা হয়েছে। ফলে কেউ কোনো অপরাধ করে পার পাবে না। পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে কাজ করছেন পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।  তাদের যৌথ প্রচেষ্টা থাকছে প্রত্যেক পর্যটক যেন ভ্রমণ শেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন।

কক্সবাজার পুলিশ সুপার (ট্যুরিস্ট) জিল্লুর রহমান জানান, ঈদে বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপদে ভ্রমণ নিশ্চিত করতে শহরসহ জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ট্যুরিস্ট পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃংখলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।  ট্যুরিস্ট পুলিশের বিশেষ রেসকিউ টিম, ইভটিজিং কন্ট্রোল টিম, ড্রিংকিং জোন, দ্রুত চিকিৎসাসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে পর্যটকদের নিরাপত্তায়।

Please Share This Post in Your Social Media

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category
© 2018 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | dbdnews24.com
Site Customized By NewsTech.Com